দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারের ঘটনা স্কুটি-র সঙ্গে সঙ্গমের চেষ্টা ষাঁড়ের ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে  অনেক স্কুটি, জখম অনেকে আতঙ্কে গ্রাহক থেকে ব্যবসায়ীরা

স্কুটি দেখলেই উত্তেজিত হয়ে পড়ছে সে। সঙ্গিনী ভেবে নিয়ে স্কুটি-র সঙ্গেই চলছে সঙ্গমের চেষ্টা। ষাঁড়ের এমন আজব উপদ্রবেই নাজেহাল দুর্গাপুরের স্কুটি মালিকদের একাংশ। ষাঁড়ের অত্যাচারে স্কুটির ক্ষতি তো হচ্ছেই, একই সঙ্গে স্কুটি রক্ষ করতে গিয়েও আহত হচ্ছেন কেউ কেউ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে গত বেশ কয়েকদিন ধরেই একটি কালো ষাঁড়ের এমন তাণ্ডব চলছে। ষাঁড়টি পূর্ণবয়স্ক নয় বলেই ব্যবসায়ীদের মত। তার এই কাণ্ডকারখানা দেখে ব্যবসায়ীরা নাম দিয়েছেন কামদেব। বাজারের মধ্যে ক্রেতা বা বিক্রেতাদের কোনও স্কুটি পছন্দ হলেই তার উপর চড়ে বসছে ওই ষাঁড়টি। স্কুটি-র সঙ্গেই সঙ্গমের চেষ্টা চালাচ্ছে সে। 

আরও পড়ুন: অফিসের ভিতরে কর্মীদের সঙ্গে জমিয়ে নাচছেন সুন্দরী সিইও, ভাইরাল হল ভিডিও

বেনাচিতি বাজারে মোট ছ'টি ষাঁড় রয়েছে। সেগুলির একটিও মালিকানা নেই। মাঝেমধ্যে ষাঁড়ের গুঁতোও খেতে হয় ক্রেতা বিক্রেতাদের। কিন্তু সম্প্রতি এই ষাঁড়টির অত্যাচার ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাদের সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে। 

এতদিন বাজারের মধ্যে ঘুরে বেড়ানো ষাঁড়গুলি অনেক সময়ই বিভিন্ন দোকানে রাখা সবজি খেয়ে নিত। অনেক সময় নিজে থেকেই তাদের সবজি খেতে দিতেন ব্যবসায়ীরা। বাজারের ষাঁড়গুলির নানা রকম নামকরণও করেন তাঁরা। কারও নাম মহাদেব, কোনওটার নাম ভোলানাথ আবার একটি ষাঁড়ের নাম দাদা। এই ষাঁড়েদের দলের সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে নতুন এক সদস্য। তার নাম দেওয়া হয়েছে কামদেব। কারণ বাজারে কোনও স্কুটি দেখলেই চঞ্চল হয়ে উঠছে সে। 

আরও পড়ুন: বিয়ের আসরে কাঁদছিল কনে, নেচে নববধূর ঠোঁটে হাসি ফোটালেন দুলহেরাজা, ভাইরাল হল ভিডিও

ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ষাঁড়ের এই অত্যাচারে রীতিমতো আতঙ্কিত গ্রাহকরা। স্কুটি নিয়ে কোনও গ্রাহকই আর বাজারমুখো হতে চাইছেন না। আতঙ্কে রয়েছেন ব্যবসায়ীরাও। প্রায় প্রতিদিনই একাধিক স্কুটি বাজারে ষাঁড়ের হামলার শিকার হচ্ছেন। অবিলম্বে ষাঁড়টিকে ধরে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যবাসায়ীরা। 

স্কুটি চালক কাজল রায় বলেন, 'আমার স্কুটিতেও ষাঁড়টি চেপে গিয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমার স্কুটি। প্রশাসন এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নিলে অনেকে উপকৃত হবে।'

ব্যবসায়ী প্রসেনজিৎ পাল বলেন, 'আমার স্কুটিতেও এই ঘটনা একাধিক বার ঘটেছে। আমার দোকানের এক ক্রেতা স্কুটি নিয়ে এসেছিলেন। তাঁর স্কুটিতেও হামলা চালায় ষাঁড়টি।' স্থানীয় কাউন্সিলর মধুসূদন মণ্ডলের অবশ্য দাবি, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।