কুমারগঞ্জে গণধর্ষণের পর কিশোরীকে নৃশংসভাবে খুন পুলিশের জালে মৃতার প্রেমিক-সহ তিন অভিযুক্ত ধৃতদের সাহায্যে ঘটনার পুনর্নির্মাণ পুলিশের এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট পেশের সম্ভাবনা   

কুমারগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার কিনারা করে ফেলেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে মৃতার প্রেমিক-সহ তিনজনকে। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল? বৃহস্পতিবার সকালে তিন অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনার পুর্ননির্মাণ করলেন তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করলেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। এক সপ্তাহের মধ্যে কুমারগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চার্জশিটও পেশ করা হবে জানা গিয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের পঞ্চগ্রামে। সোমবার সকালে কুমারগঞ্জে সাফানগর পাকুড়তলা এলাকায় একটি কালভার্টের নিচ থেকে তাঁর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার পর বালুরঘাট হাসপাতালে মর্গে মৃতদেহ শনাক্ত করেন পরিবারের লোকেরা। জানা যায়, গত রবিবার চাদর কিনতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল সে। 

আরও পড়ুন: বাজি নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কেঁপে উঠল নৈহাটি-চুঁচুড়া

কিন্ত ওই কিশোরীর এমন নৃশংস পরিণতি হল কী করে? তদন্তে নেমে সোমবার রাতেই মহাবুর মিয়া, গৌতম বর্মন ও পঙ্কজ বর্মন নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মহাবুরের সঙ্গে প্রেমে সম্পর্ক ছিল ওই কিশোরীর। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতেই সোমবার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। দেখা হওয়ার পর রবিবার দিনভর প্রেমিকাকে সঙ্গে বাইকে করে ঘোরে মহাবুর। সঙ্গে ছিল তার দুই বন্ধু গৌতম ও পঙ্কজও। রাতে মদ্যপান করার মহাবুর ও তার বন্ধুরা মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ঘটনার পর ৩ ্োবজ্ঞান হারালে নির্যাতিতাকে গলার নলি কেটে খুন করে প্রেমিক ও তার বন্ধুরা, এমনকী কেটে নেওয়া হয় হাত ও পা-ও। শেষপর্যন্ত প্রমাণ লোপাটের জন্য বাইকের পেট্রল ঢেলে দেহটি জ্বালিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। ১৬ জানুয়ারি ধৃতদের ফের বালুরঘাট আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।