LPG Crisis News: দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহ সংকটে সমস্যার মুখে ক্লাউড কিচেন। গ্যাসের যোগান ঠিকমতো না মেলায় বন্ধ হতে বসেছে নামী-দামি রেস্তরাঁ, ক্লাউড কিচেনের হেঁশেল। এখন পরিস্থিতি ঠিক কী রকম? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
LPG Crisis News: যুদ্ধের আঁচে দেশে জ্বালানি গ্যাসের সংকট। বাংলার আনাচেকানাচেও পড়েছে তার প্রভাব। এলপিজি সমস্যায় রান্নাবান্না রীতিমতো বন্ধের পথে। ঝাঁপ বন্ধ হচ্ছে বহু হোটেল, রেস্তরাঁয়। ক্ষতির মুখে কলকাতার ক্লাউড কিচেনগুলি। পশ্চিম এশিয়ার ও আরব দুনিয়ার যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। সময় যত বাড়ছে, ততই তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের দেশগুলিতে। আরব দুনিয়া থেকে গোটা বিশ্বে সিংহভাগ তেল সরবরাহ হয় গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে। যুদ্ধের জেরে বন্ধ সেই হরমুজ প্রণালী। অর্থাৎ জ্বালানি সরবরাহের রাস্তাই পুরোপুরি বন্ধ। আর তাতে সব দেশে জ্বালানির সংকট তৈরি হচ্ছে। বাংলাতেও পড়েছে সেই প্রভাব।
রান্নাঘরে এলপিজি সংকট:-
কমার্শিয়াল গ্যাস না মেলায় প্রায় বন্ধের মুখে ক্লাউড কিচেন গুলি। কলকাতার ট্যাংরা অঞ্চলের অন্যতম পপুলার ক্লাউড কিচেনে অধিকাংশ স্টাফকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে! অর্ডার নেওয়া হচ্ছে লিমিটেড। ক্যানসেল করা হচ্ছে পার্টি অর্ডার! গত কয়েকদিনে গ্যাস অপর্যাপ্ত পরিমাণে মেলায় সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন খাবারের দোকানগুলি। কলকাতায় ট্যাংরা অঞ্চলে এমনই একটি ক্লাউড কিচেনে দেখা গেল কার্যত বন্ধ হওয়ার মুখে রয়েছে! বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাদের প্রসিদ্ধ আইটেম তন্দুর! কারণ তন্দুরের ক্ষেত্রে অনেক বেশি পরিমাণে গ্যাসের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও বেশ কিছু বাতিল করা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার ক্লাউড কিচেনগুলি সকাল আটটা থেকে রাত্রি বারোটা পর্যন্ত চললেও এই মুহূর্তে গ্যাস অপর্যাপ্ত থাকায় কম সময়ের জন্য চালানো হচ্ছে। এতে যেমন ক্লাউড কিচেন গুলি ক্ষতির মুখে একই রকম ভাবে যারা এই খাবারের জন্য ডিপেনডেবল তাঁরাও সমস্যায় রয়েছেন।
শুধু তাই নয়, : জ্বালানি সংকট এবার নবান্নের হেঁশেলে! সিলিন্ডার না মেলায় বন্ধের মুখে রান্না। জ্বালানি সংকট চরমে। সাধারণ মানুষের রান্নাঘর থেকে শুরু করে মন্দির, গ্যাসের আকাল সবর্ত্র। এবার সেই সংকটের ছায়া এবার নবান্নে। সিলিন্ডার না মেলায় নবান্নের হেঁশেল সচল রাখা নিয়েই দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সরকারি কর্মীদের খাবারের জোগান কি এবার বন্ধ হতে চলেছে?
প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝে নবান্নের কর্মীদের অন্যতম ভরসা ক্যান্টিনের খাবার। কিন্তু সেখানেই এখন আশঙ্কার মেঘ। জ্বালানি সংকটের কবলে পড়ে এবার টান পড়েছে নবান্নের রান্নায়। নবান্নের কর্মীদের জন্য প্রতিদিন অন্তত একটি সিলিন্ডার প্রয়োজন হয় এবং দুটি সিলিন্ডার মজুত রাখতে হয়, সেখানে এখন নতুন করে রিফিলিং মেলাই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিদিন নিয়ম মেনে নবান্নে দুটি করে সিলিন্ডার আসে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সরবরাহে টান পড়ায় থমকে যেতে পারে স্বাভাবিক ছন্দ। এবার সেই আশঙ্কাও দাঁনা বাঁধছে। রাঁধুনিদের দাবি, গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়া গেলে বিঘ্নিত হতে পারে ক্যান্টিন পরিষেবা। যদি দ্রুত পরিস্থিতির সমাধান না হয়, তবে সচিবালয়ের এই ব্যস্ত ক্যান্টিনে হাঁড়ি চড়বে কি না, তা নিয়েই দানা বাঁধছে আশঙ্কা।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


