পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের জন্য এবার বিজেপিকে অভিনন্দন জানালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারীকেও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের জন্য এবার বিজেপিকে অভিনন্দন জানালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারীকেও অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেই বিবৃতিতেই হাসিনা বাংলা বিজয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানান।

ওই বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, "বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচিত সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজ প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন বার্তায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী সকলকে—যার মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন—আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নিজের বার্তায় তিনি বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অন্যতম নেতা শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষ অভিনন্দন জানান। এছাড়া তিনি নির্বাচিত সকল প্রতিনিধির ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ সমগ্র ভারতের জনগণের অব্যাহত সমৃদ্ধি ও কল্যাণ প্রত্যাশা করেন।"

Scroll to load tweet…

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কেবল পশ্চিমবঙ্গের ভেতরেই নয়, বরং সীমান্তের ওপাড়ের বাংলাদেশেও সমর্থন লাভ করেছে। এর আগে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঢাকা থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছে; এই বার্তার সঙ্গেই জুড়ে দেওয়া হয়েছে দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা নদীর জলবণ্টন চুক্তিটি পুনর্বিবেচনার একটি অনুরোধ। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা জলবণ্টন বিরোধ নিরসনের প্রচেষ্টায় বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঢাকা দীর্ঘকাল ধরেই একটি অন্তরায় হিসেবে দেখে আসছে। বিএনপিও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিকে অভিনন্দন জানিয়েছে এবং শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে দলটির পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছে।

বিএনপি-র তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারি হেলাল আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভারতের এই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে বিজেপির বিজয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যকার সম্পর্ককে পুনরায় মসৃণ করতে সহায়ক হতে পারে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে এই বাংলাদেশি নেতা বলেন, এই রাজনৈতিক পালাবদল ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে উন্নত সহযোগিতা এবং আরও স্থিতিশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

শনিবার শপথ নিতে চলেছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপির মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচন শুরু হয়েছে। মন্ত্রিসভা বাছাইয়ের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বা পরিষদীয় দলনেতা কে হবেন তা নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আজ।