Suvendu Adhikari On Baruipur Incident: বারুইপুরের ঘটনায় এবার সূর্যপুর এলাকায় তৈরি হতে চলেছে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি। তদন্ত নিয়ে কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।। 

Suvendu Adhikari On Baruipur Incident: বারুইপুর ধর্ষন-খুনকাণ্ডে এবার পুলিশ প্রশাসনকে আরও তৎপর করতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের এই এলাকায় এবার তৈরি হচ্ছে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি। সূত্রের খবর, বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি খুলতে উপযুক্ত জমির খোঁজখবর নেওয়ার কাজ চলছে। পর্যাপ্ত জমি মিললেই ফাঁড়ি তৈরির কাজে হাত লাগাবে প্রশাসন। এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। আরও জানা গিয়েছে যে, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন যে, নির্যাতিতা নিহত নাবালিকার পরিবারের দাবি, সূর্যপুর এলাকায় একটি পুলিশ আউটপোস্ট তৈরি করার। সেইমতো তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও ডিজিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?

এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন যে, ''বর্তমানে সূর্যপুর এলাকায় পুলিশের একটি ক্যাম্প থাকলেও সেটি মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে এলাকার মানুষজনকে কোনও অভিযোগ জানাতে হলে ১০ কিলোমিটার দূরে থানায় গিয়ে জানাতে হয়। সব সময় তা সম্ভব হয় না বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।'' সূত্রের খবর, এলাকাবাসী ও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি মেনে খুব শীঘ্রই ওই এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির কাজ শুরু করা হবে। তাহলে একদিকে যেমন মানুষের হয়রানি কমবে তেমনই তদন্ত সংক্রান্ত যেকোনও কাজ এখান থেকেই করা যাবে। ফলে সাধারণ মানুষের হয়রানিও কমবে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সূর্যপুর এলাকায় নতুন ফাঁড়ি হলে সেখানে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ কর্মী ও অফিসার নিযুক্ত থাকবেন। ফলে এলাকায় কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি যেমন মোকাবিলা করা যাবে তেমনই দ্রুত ঘটনার তদন্ত শুরু করা যাবে। এলাকায় পুলিশি টহল আরও বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

উল্লেখ্য, নাবালিকা ধর্ষন-খুনে এখনও তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর এলাকা। এই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল নিহত হয়েছেন পুলিশের এনকাউন্টারে। পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন আরও তিন অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার এবং কবীর মোল্লা। গত শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের বাসিন্দা ১২ বছরের এক কিশোরী। রবিবার একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়, যাকে ঘিরে গোটা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা এক সন্দেহভাজনকে গণধোলাই দেয়, যাতে তার মৃত্যু হয়। এরপর সারাদিন রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ চলে, থমকে যায় ট্রেন চলাচলও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়, এবং বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর ও সোনারপুরে জারি হয় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।