রেলবোর্ডে সদস্যপদ পাওয়ার প্রতারণা মামলায় সাময়িক স্বস্তি মুকুল রায়ের। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গ্রেফতার করা যাবে না বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে। আজ মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি শহিদুল্লা মুন্সির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন রাজ্যের অ্য়াডভোকেট জেনারেল না থাকায় শুনানি পিছোয়। আগামীকাল শুনানি রয়েছে। বস্তুত, মুকুল ঘনিষ্ঠ  বাবান ঘোষকে এই মামলায় আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন : খুনের হুমকি, দিলীপের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা পুলিশের

আরও পড়ুন :রামসেতু আমাদের পৃথিবীশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উদাহরণ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য়ে বিতর্ক

কদিন আগেই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল বিজেপির মজদুর ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি বাবান ঘোষকে। রেলের কমিটিতে সদস্যপদ পাইয়ে দেওয়ার নামে ৪৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এফআইআরে নাম রয়েছে বিজেপি নেতা মুকুল রায়েরও।

গত জানুয়ারি মাসে সন্তু গাঙ্গুলী নামের এক ব্য়বসায়ী সরসুনা থানায় বাবান ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। ওই ব্য়ক্তির অভিযোগ, বিজেপির রেল বোর্ডের মেম্বার করার জন্য তাঁর কাছ থেকে দফায় দফায় ৪৬ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয় বাবান। মূলত মুকুল রায়ের নাম করেই এই টাকা নেন বাবান । এরপরই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে পাটুলি থেকে বাবানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুধ্যে ৪২০,১২০বি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। যেহেতু মুকুল রায়ের নাম করে এই টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাই এফআইআরে মুকুলের নামও রেখেছে পুলিশ। 

জানা গেছে সব মিলিয়ে এই ঘুষের মামলায় চারজনের নাম রয়েছে। সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দেন বাবান। টলিপাড়ায় কান পাতলে শোনা যায়,ঘাসফুল ব্রিগেড থেকে বহু টলিপাড়ার কর্মীদের বিজেপিতে আনতে সমর্থ হয়েছেন বাবান।  এদিকে বাবানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। জোর করে বিজেপি নেতাদের বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। ইতিমধ্য়েই কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলায় আগাম জামিনের আবেদন করেছেন মুকুল রায়। 

আরও পড়ুন :র‌্যাগিং রুখতে দীক্ষা দাওয়াই, শিক্ষাক্ষেত্রে আরও পরিবর্তন

আরও পড়ুন : সাংবিধানিক বেঞ্চে গেল ৩৭০ ধারার মামলা, কাশ্মীরে ঢুকতে পারবেন সীতারাম ইয়েচুরি


সম্প্রতি মেদিনীপুরের এক সভায় বিজেপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে জোর করে মামলা দেওয়ার অভিযোগ করেন রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপবাবু বলেন,বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, গাজা মামলা ছাড়াও খুনের মামলা দেওয়া হচ্ছে। কিছু না বলেই হুটপাট জেলে ভরা হচ্ছে কর্মীদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই হাজার হাজার কর্মী ঘরছাড়া।