strongroom: ক্ষদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তেজনা এই ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই। বিজেপি আর তৃণমূল কর্মীদের স্লোগান আর পাল্টা স্লোগানে উত্তাল হয় গোটা এলাকা।অন্যদিকে ভবানীপুরের স্ট্রংরুম পাহারা দিতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ক্ষদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তেজনা এই ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই। বিজেপি আর তৃণমূল কর্মীদের স্লোগান আর পাল্টা স্লোগানে উত্তাল হয় গোটা এলাকা। একদিকে যেমন জয় বাংলা স্লোগান ওঠে অন্যদিকে পাল্টা ওঠে জয় শ্রীরাম স্লোগান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেসের শশী পাঁজা আর কুণাল ঘোষ। এই খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপির সন্তোষ পাঠক ও তাপস রায়। অন্যদিকে ভবানীপুরের স্ট্রংরুম পাহারা দিতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূলের অভিযোগ
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা অভিযোগ করেন স্ট্রংরুম এলাকা থেকে প্রথমে তাদের দলের নেতা কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তারপরই স্ট্রিংরুমে বেশি কয়েকজন লোক ঢোকে। তারা কারা তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য নেই তৃণমূলের কাছে। এই ঘটনার পরই কুণাল আর শশী পাঁজা আসেন স্ট্রংরুমে। তারপরই তারা কথা বলেন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
বিজেপির অভিযোগ
এই ঘটনার পরই বিজেপির তাপস রায় আর সন্তোষ পাঠক স্ট্রংরুমে আসেন। তারাও কথা বলেন পুলিশ আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে। দুই দলের নেতাদের দেখার পরই উত্তেজিত হয়ে পড়েন কর্মীরা। যাইহোক পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্ট্রংরুমে মমতা
অন্যদিকে নিজের ভবানীপুরের ইভিএম সামলাতে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যান সাখাওয়াত মেমোলিয়ার স্কুলে। যদিও এদিন সাংবাদিক বৈঠকে আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের নেতা আর কর্মীদের উদ্দেশ্যে স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাতদিন স্ট্রংরুম পাহারা দিতে বলেন। তিনি নিজেও স্ট্রংরুম পাহারা দেবেন বলেও জানিয়েছিলেন। যদিও তাঁর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।


