খোদ অমিত শাহ মধ্যাহ্নভোজে সেরেছেন বাড়িতে পাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন বিভীষণ হাঁসদা তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে এল তৃণমূল ও বিজেপি নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসনও

এতদিন নজর পড়েনি কারও। বাড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পা পড়তেই ছবিটা বদলে গেল রাতারাতি। বিভীষণ হাঁসদাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন বিজেপি সাংসদ ও তৃণমূল জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যা। এমনকী নড়চড়ে বসেছে প্রশাসনও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: তমলুকে শুভেন্দু বনাম অভিষেক, ব্য়ানার-হোর্ডিং তরজায় তপ্ত মেদিনীপুরের রাজনীতি

বাঁকুড়া শহর লাগোয়া চতুরদিহি গ্রামে থাকেন বিভীষণ। স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে সংসার। নেহাতই ছাপোষা আদিবাসী পরিবার। তাঁর মেয়ে আবার দীর্ঘদিন ধরে কঠিন অসুখে ভুগছে। কিন্তু ঘটনা হল, রাজনৈতিক দল কিংবা প্রশাসন, এতদিন আদিবাসী এই পরিবারটির পাশে দাঁড়ায়নি কেউ-ই। শনিবার সকালে বিভীষণের বাড়িতে যান বাঁকুড়া জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যা সোনাই মুখোপাধ্যায়। আদিবাসী পরিবারটির হাতে চাল, কাপড় ও আর্থিক সাহায্য তুলে দেন তিনি। এমনকী, বাড়িতে গিয়ে পরিবারে পাশের থাকার ও মেয়ের চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। তিনি আবার পেশায় চিকিৎসক বটে। বসে নেই প্রশাসনও। বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে যখন বেরোচ্ছেন বিজেপি সাংসদ, তখন সেখানে হাজির হন বাঁকুড়ার এক নম্বর ব্লকের বিডিও বিপ্লব কুমার রায়। তিনিও যথারীতি আদিবাসী পরিবারটিকে সবরকম সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: তৃণমূল বনাম তৃণমূল, শুভেন্দুর সমর্থনে বিক্ষুব্ধদের সভা, তৃণমূলের সমর্থনে মন্ত্রীর প্রচারে জমজমাট পুরুলিয়া

হঠাৎ বিভীষণ হাঁসদাকে নিয়ে এমন দড়ি টানাটানির কারণটা কী? ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। সেদিন ঝটিকা সফরে বাঁকুড়ায় গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবীন্দ্রভবনে বিজেপি কর্মী সঙ্গে বৈঠক করার পর বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। অমিত শাহের কাছেই মেয়ের চিকিৎসার বিষয়ে সাহায্য চেয়ে আবেদন করার ইচ্ছা ছিল বিভীষণের। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁর সেই ইচ্ছাপূরণ হয়নি বটে। তবে অমিত শাহ চলে যাওয়ার পরেই সাহায্যের ডালি নিয়ে আদিবাসীর পরিবারের কাছে হাজির হল তৃণমূল, বিজেপি, এমনকী প্রশাসনও।