পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন। রাজ্য সরকারের তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে এবার থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। এত দিন এই সীমা ছিল ২ লক্ষ টাকা। অর্থ দফতরের মেডিক্যাল সেল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন। রাজ্য সরকারের তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে এবার থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। এত দিন এই সীমা ছিল ২ লক্ষ টাকা। অর্থ দফতরের মেডিক্যাল সেল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৬ বা তার পরে তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হলে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীরা সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে চিকিৎসার খরচের জন্য আগাম টাকা জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে প্রকল্পের অন্যান্য শর্তগুলি আগের মতোই থাকবে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল হেল্‌থ স্কিমের আওতায় এত দিন বেসরকারি হাসপাতালে ইনডোর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ক্যাশলেস সুবিধার ঊর্ধ্বসীমা ছিল ২ লক্ষ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের অধীনে অনুমোদিত চিকিৎসার হার সংশোধন করা হয়েছে। সেই সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করেই ক্যাশলেস চিকিৎসার ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় থাকা সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরা এই সুবিধা পাবেন। তবে চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতালটি পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের তালিকাভুক্ত হতে হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ অক্টোবর বা তার পরে ভর্তি হলে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস সুবিধা মিলবে। তার আগে ভর্তি হওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে আগের ২ লক্ষ টাকার সীমাই প্রযোজ্য হবে।

এর আগে চলতি বছরের অন্তর্বর্তী বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছিল। সেই সময় ২ লক্ষ টাকার বেশি চিকিৎসা খরচের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচের একটি অংশ ক্যাশলেস সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব ছিল। এ বার সেই ব্যবস্থার পরিবর্তে ক্যাশলেস চিকিৎসার সর্বোচ্চ সীমাই বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হল।

সম্প্রতি রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের সন্তানরা বয়স, আয়, আর্থিক নির্ভরতা বা বৈবাহিক অবস্থার মতো কারণে নিয়মিত সুবিধাভোগীর তালিকা থেকে বাদ পড়লেও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় আনার সুযোগ রয়েছে।