West Bengal Police: রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ। তবে এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অপরাধমূলক ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যায় পড়েছে পুলিশ।
KNOW
Murshidabad News: পুরাতন বিবাদকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও হয়ে মহিলা, শিশু ও বাড়ির সদস্যদের মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের ঘনশ্যামপুর গ্রামে। গুরুতর জখম অবস্থায় জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন মহিলা-সহ একই পরিবারের ছয় সদস্য। মধ্যরাতে বাড়িতে প্রবেশ করে হাসুয়া সহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগে এক মহিলা-সহ ছয়জনকে গ্রেফতার করল সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। ধৃতদের সোমবার জঙ্গিপুর আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। ধৃতদের জেরা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আসল ঘটনা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

রাতের অন্ধকারে হামলা
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘনশ্যামপুর গ্রামের উমর ফারুক নামে ওই ব্যক্তির পরিবারের এক মহিলাকে বারংবার উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে মাসখানেক আগে প্রতিবেশী গোলাপ শেখের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয়। অভিযোগ, গোলাপ শেখের ভাই অলিউল শেখ নামে ওই যুবক দিনের পর দিন ওই মহিলাকে উত্যক্ত করছিল। এ নিয়ে ঝামেলা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। দুই পক্ষই সামশেররগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। কয়েকদিন আগে গোলাপ শেখের বাড়িতে সেই মামলার বিষয়ে আদালতের নোটিস আসে। অভিযোগ, তারপরেই কার্যত মারমুখী হয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। তারা আইনের তোয়াক্কা না করেই গভীর রাতে প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা চালায়। গোলাপ শেখ ও ইব্রাহিম শেখের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের দল প্রতিবেশীর বাড়িতে হঠাৎ হামলা চালায়। মহিলাদের চুল কেটে নেওয়া হয়, বাড়ির কয়েকজন সদস্যকে হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়।
আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা শুরু
রাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় আহত ব্যক্তিদের প্রথমে অনুপনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের জঙ্গিপুর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই এখন তাঁদের চিকিৎসা করা হচ্ছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


