দিল্লির পুরভোটের প্রচারে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, তুলে ধরলেন বাংলার দুর্নীতির উদাহরণ

| Nov 30 2022, 09:13 AM IST

Dilip Ghosh
দিল্লির পুরভোটের প্রচারে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, তুলে ধরলেন বাংলার দুর্নীতির উদাহরণ
Share this Article
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Email

সংক্ষিপ্ত

বাংলার উদাহরণ টেনে পুরভোটের প্রচারে মমতার সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। 

দিল্লিতে আসছে পুরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছেন লোকসভার সাংসদ দিলীপ ঘোষ। রাজধানীর রাজনৈতিক ময়দানেও নেমেও তিনি তুলে ধরলেন পশ্চিমবঙ্গের শাসকের দুর্নীতির কথা।

বাংলার ‘দুরবস্থার’ প্রসঙ্গে তাঁর মুখে শোনা গেল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ না দেওয়া, সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার কথা। নাম না করে তিনি কটাক্ষ হানেন বঙ্গের শাসকদলের প্রাক্তন নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দিকেও। অর্থাৎ, তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরভিন্দ কেজরিওয়ালের তুলনা করেন। দিল্লির ভোটারদের উদ্দেশে দিলীপ ঘোষের একটাই বার্তা, পুরসভায় আম আদমি পার্টিকে ভোট দিলে, দিল্লিও খুব তাড়াতাড়িই বাংলা হয়ে যাবে।

Subscribe to get breaking news alerts

একসময় বিশ্ব জুড়ে বাঙালিদের সুখ্যাতির কথা শোনা যেত , এখন তৃণমূল সরকারের রাজত্বে শুধুই চুরি, সমাজবিরোধীদের দৌরাত্ম্য হয়ে গেছে বলে মনে করেন দিলীপ। দিল্লির প্রচার মঞ্চ থেকে তাঁর বক্তব্য, “বাঙালিরা এমন কাজ করেছেন একসময় যে, গোটা দুনিয়ার লোক তাঁদের সম্মান করেন। বাঙালি শিক্ষিত, বাঙালিরা বিপ্লবীদের জন্ম দিয়েছে। গোটা দেশে যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঙালি অধ্যাপক পাওয়া যাবে। ডাক্তার থেকে ইঞ্জিনিয়ার, সব জায়গায় বাঙালি পাওয়া যাবে। এখন ওখানকার কারামন্ত্রী আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কী মন্তব্য করেছেন তা সকলেই জানেন। এখন তো টিভি খুললেই বাংলার কোনও না কোনও জায়গায় বাংলায় বোমা বিস্ফোরণের খবর পাবেন। সমাজবিরোধীদের জায়গায় হয়েছে তৃণমূল।”

বাংলার উদাহরণ টেনে পুরভোটের প্রচারে মমতার সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। কটাক্ষের সুরে তাঁর বক্তব্য, “বাংলায় যাঁরা চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন তাঁরা পেনশন পাচ্ছেন না। পেনশনের জন্য সম্প্রতি এক প্রধান শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন। ওনাকে বঙ্গবিভূষণ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু পেনশন দেওয়া হয়নি। ডিএ পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি কর্মীরা রাস্তায় নেমে পুলিশের লাঠি খাচ্ছেন। বলা হচ্ছে ডিএ দিলে সরকার সঙ্কটে পড়ে যাবে। পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। সব জায়গায় চুরি হচ্ছে। ওনাদের মন্ত্রী জেলে, জেলা প্রেসিডেন্ট, বিধায়ক জেলে যাচ্ছেন। কেউ না কেউ রোজই জেলে যাচ্ছেন।”


আরও পড়ুন-
দেশের উপরাষ্ট্রপতির আসনে বসেই বাংলায় ফের ধনখড়, স্ত্রীকে নিয়ে সোজা উপস্থিত হলেন কালীঘাট মন্দিরে
শহর জুড়ে উত্তর-পশ্চিমী হাওয়ার দাপট, তবে তাপমাত্রার কাঁটা রইল ওপরের দিকেই
হোয়াটসঅ্যাপে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলি কি সুরক্ষিত? হ্যাকারদের কাছে রয়েছে বিস্ফোরক ডেটাবেস