পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মামলায় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর পর্যবেক্ষ, আইন অনুযায়ী জামিন নিয়ম আর জেল ব্যতিক্রম। তবুও বলতে হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ 

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রেহাই নেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। সিবিআই-এর করা মমালায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বেঞ্চ জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। আর সেই কারণে এই মামলায় আপাতত রেহাই নেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। তবে পার্থর সঙ্গে আপাতত নিষ্কৃতি পাচ্ছে না কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সুবীরেশ ভট্টাচার্য ও অশোককুমার সাহা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিন মামলায় বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর পর্যবেক্ষ, আইন অনুযায়ী জামিন নিয়ম আর জেল ব্যতিক্রম। তবুও বলতে হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ। তিনি আরও বলেন, অযোগ্যরা শিক্ষক হয়ে স্কুলে গেলে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক অবণতি হয়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, 'সততার সঙ্গে পরীক্ষা দিয়ে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। ট্রায়ালের অনুমতি দিতে রাজ্য কেন চুপ? লোকসভা ভোটের আগে থেকে অভিযুক্তদের ট্রায়াল নিয়ে রাজ্য অবস্থান জানায়নি। বুঝতে হবে অভিযুক্তদের সঙ্গে রাজ্যের এখনও সম্পর্ক রয়েছে।'

নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে সিবিআই-এর করা মামলায় জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৯ জন। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপীর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ গত ২০ নভেম্বর এই মামলায় রায় দেয়। বিচারপতি এই মামলায় ৯ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। কিন্তু বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায় তার সঙ্গে একমত হতে পারেননি। তিনি কৌশিক ঘোষ, শেখ আলি ইমাম ও সুব্রত সামন্ত রায়, চন্দন ওরফে রঞ্জন মণ্ডলের জামিন করলেও পার্থ সুবীরেশ , অশোক, কল্যাণময়, শান্তিপ্রসাদের জামিনে না করে দেন। ফলে এই পাঁচ জনের জামিন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি কোনও মামলায় একমত হতে না পারলে সেই মামলা কোনও বেঞ্চে যাবে তা ঠিক করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি তৃতীয় কোনও বেঞ্চে মামলাটি পাঠান। সেক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য পাঠিয়েছিলেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রব্রতীর বেঞ্চে। গত মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। তবে বিচারপতি রায়দান সংরক্ষণ করেন। এইদিন জামিনের আবেদনে না-মঞ্জুর করে দেন বিচারপতি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।