প্রায় বছর দুয়েক আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পলাশিপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment corruption case) সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন তিনি। জামিন পাওয়ার পরই তিনি বকেয়া বেতনের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বেতন পাওয়ার কথা নয়। যদিও বিধানসভার(Assembly) স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্য়ায় এই সংক্রান্ত কোনও নিয়ম জারি করেননি। ফলে আদৌ মানিক ভট্টাচার্য কোনও বেতন পাবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে প্রায় ২৩ মাস ধরে জেলে বন্দি মানিক। লক্ষাধিক টাকা হতে পারে তাঁর বেতন। তবে সঠিক অঙ্ক প্রকাশ করেনি বিধানসভা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রায় বছর দুয়েক আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পলাশিপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তারপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। প্রায় দুই বছর ধরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি মানিক ভট্টাচার্য। সদ্যই জামিন পেয়েছেন তিনি। তারপরই বিধানসভার টিএ-ডিএ সেকশনে জমা দিয়েছেন চিকিৎসা সংক্রান্ত একাধিক বিল আর নথি। একই সঙ্গে জেলে থাকাকালীন বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ারও আর্জি জানিয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য।

মানিক ভট্টাচার্যের আবেদনের পরই এই বিষয়ে এজির পরামর্শ চান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এজি জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুযায়ী জেলে থাকাকালীন সময়ের বেতনের টাকা পাবেন না মানিক ভট্টাচার্য। তবে মেডিক্যাল সংক্রান্ত বিল পাবেন তিনি। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জেলের সুপারের সঙ্গে কথা বলেছেন স্পিকার।

জেলের তরফে জানান হয়েছে বন্দি থাকার সময় মানিক ভট্টাচার্যের জন্য বেশ কিছু ওষুধ বাইরে থেকে আনা হত। বিল পাঠালে সেই ওষুধের টাকাও পাওয়া যাবে। নিয়ম অনুযায়ী বিধায়ক ও তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ সরকারের। বিধানসভায় বিল জমা করলে টাকা তারা ফেরত পান। তবে চশমার ক্ষেত্রে উর্ধ্বসীমা বাঁধা রয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।