সোমবার বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতেই সরাসরি নিন্দা প্রস্তাব পেশ করেন মানস ভুঁইয়া। বিজেপির মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষ বলেন, 'আমরাও কিন্তু এর পর সাংবাদিকদের সামনে কি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা চাইব।'

দিল্লির নীতি আয়োগের বৈঠকের আঁচ পড়েছে রাজ্য বিধানসভাতেও। উত্তাল হয়েছে বিধানসভা। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মানস ভুইয়া নিন্দা প্রস্তাব পেশ করেন। পাল্ট বিরোধিতায় সরব হয় বিজেপি। বিধানসভার অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপির বিধায়করা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোমবার বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতেই সরাসরি নিন্দা প্রস্তাব পেশ করেন মানস ভুঁইয়া। বিজেপির মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষ বলেন, 'আমরাও কিন্তু এর পর সাংবাদিকদের সামনে কি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা চাইব।' পাল্টা মানস ভুঁইয়া বলেন, 'অবশ্যই আলোচনাকরা যেত যদি নীতি আয়োগের বৈঠকে কী হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করা হত।' এরপরে বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর বোঝা উচিৎ যতটা সময় দেওয়া হয়েছে তারই মধ্যে বলতে হবে। বিজেপির বিধায়কের অভিযোগ, মমতার টার্গেট ছিল বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসা। তিনি তাই করেছেন। শংকর ঘোষের দাবি দাবি মমতা যা বলেছেন তা সত্যের অপলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। অন্যদিকে বিজেপির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আগে কোনও দিনও বৈঠকে যাননি। এখন তিনি ইন্ডিয়া জোটের হয়ে গিয়েছিলেন। ভিতরে যা হয়নি তাই বাইরে এসে বলেছেন। শিখার অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী সেটিং করতেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন। এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন মুখ্য সচেতন নির্মল ঘোষ তিনি বলেন, এটা গণতন্ত্রের ওপর হামলা। বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এই রকম কথাকাটাকাটির মধ্যেই বিজেপির বিধায়করা ওয়াকআউট করেন।

বিধানসভার মধ্যেই বিজেপির ওয়াকআউটের সিদ্ধান্তে তীব্র বিরোধিতা করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও ফিরহাদ হাকিম। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'বিরোধীরা ভুলে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এই হাউসের প্রধান। মুখ্যমন্ত্রী লিডার অফ হাউস। আমার এক্তিয়ারে আসলে আলোচনা করতে পারি। প্রয়োজনে প্রিভিলেজ হবে।' ফিরহাদ হাকিম বলেন, বাংলার মানুষ যখন ঝামা ঘষে দিচ্ছেন তখন এটাই হবে স্বাভাবিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যত বাংলা নিয়ে বলবেন, 'তত বোধ হবে যে বিজেপি ভুল করেছি। সেই উসকানি যেন বেশি না হয় তাই দিদির কণ্ঠরোধ করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বোলতা হ্যায় তো, দিল্লি কাঁপতা হ্যায়। লজ্জায় ওরা ওয়াকআউট করেছে।'

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।