Bangladeshi Arrested News:  অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করার অভিযোগ।  সীমান্ত এলাকা থেকে ফের গ্রেফতার বাংলাদেশি। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Bangladeshi Arrested News: গাংনাপুর থানার পুলিশের অভিযানে বাংলাদেশি নাগরিক সহ দুই ভারতীয় দালাল গ্রেফতার। রবিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গাংনাপুর থানার পুলিশ দেবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংনাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এক বাংলাদেশি নাগরিকসহ দুই জন ভারতীয় দালালকে গ্রেফতার করে বলে জানা গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ধৃত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম প্রসেনজিৎ মণ্ডল (৩০)। তিনি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার চিতালমারি থানার কৌরমণি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি প্রায় দুই বছর আগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করছিলেন। রবিবার সকালে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে তিনি গাংনাপুর থানার এলাকায় আসেন।

বাংলাদেশি গ্রেফতারে চাঞ্চল্য এলাকায়:- 

এই কাজে তাঁকে সাহায্য করছিল দুই ভারতীয় দালাল। তারা হলেন সন্দীপ মণ্ডল (২৯), উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার বাসিন্দা এবং অনুপ কুমার মল্লিক (৪৩), গাংনাপুর পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা। ঘটনায় গাংনাপুর থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তিন জনকেই গ্রেফতার করে আজ আদালতে তোলা হচ্ছে। ভারতীয় দুই দালালকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্যদের খোঁজে পুলিশি অভিযান চলছে।

অন্যদিকে, ১১ বছরের মেয়েকে যৌন হেনস্থা করল ষাটোর্ধ্ব প্রতিবেশী! যে হয়তো জন্ম থেকেই এই নাবালবিকাকে দেখছে। এমনই মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে কোচবিহার (Cooch Behar) জেলার মেখলিগঞ্জের (Mekhliganj) জামালদহ অঞ্চলে। অভিযোগ, ওই নাবালিকা নদীর ধারে খড়ি আনতে গিয়েছিল। সেই সময় ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে হাত-মুখ চেপে ধরে যৌন হেনস্থা করে প্রতিবেশী প্রৌঢ়। 

সেই সময় প্রতিবেশী এক গৃহবধূর নজরে আসতেই তিনি নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে বাড়িতে দিয়ে আসেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ঘটনা নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা জানলেও, অভিযুক্ত ব্যক্তির হুমকির জেরে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে পারেনি নির্যাতিতার বাবা। 

তবে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারকে সাহস দিয়ে শনিবার সন্ধেবেলা লিখিত অভিযোগ করতে জামালদহ ফাঁড়িতে যায় পরিবার। এরপর নাবালিকার বাবা মেখলিগঞ্জ থানায় যান। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে বহু মানুষ জামালদহ ফাঁড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অভিযুক্তকে পুলিশ আটক করে মেখলিগঞ্জ থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। নির্যাতিতা জানিয়ছে, 'আমি স্নান করে বাড়ির পাশের নদীর ধারের জঙ্গলে রাখা খড়ি আনতে গিয়েছিলাম। সেই সময় আমাকে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে।'

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।