Cannibalism: শুধু আফ্রিকাতেই নয় (Africa), ভারতেও নরখাদকের কথা শোনা গিয়েছে। কিন্তু কোচবিহারে (Cooch Behar) যে ঘটনা ঘটেছে, সেরকম ঘটনা বোধহয় এর আগে ভারতে ঘটেনি। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
KNOW
West Bengal News: পশ্চিমবঙ্গে নরখাদক (Cannibalism)! ঠিকই পড়েছেন। বিরলের থেকেও বিরলতম ঘটনা! একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও এমন দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে হল কোচবিহার জোলার (Cooch Behar) দিনহাটা (Dinhata) অঞ্চলের বাসিন্দাদের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দিনহাটার সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চল কুড়শা হাটের একটি প্রত্যন্ত শ্মশান থেকে অজ্ঞাত পরিচিত মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহের গলায় আর কাঁধে ছিল গভীর ক্ষতচিহ্ন। এরপর পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। তারপরই গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত ফিরদৌস আলম। এরপর অভিযুক্তকে জেরা করতেই সামনে উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত যুবক খুনের পর সেই ব্যক্তিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর দেহ পরিষ্কার করে। পুলিশ জানিয়েছেন, অভিযুক্ত নাকি উদ্দেশ্য ছিল সেই মৃতদেহের মাংস খাওয়ার। যেহেতু সেই অজ্ঞাত পরিচিত ব্যক্তি শ্মশানে থাকতেন, সেই কারণে অভিযুক্তের সহজ নিশানা ছিলেন তিনি।
পুলিশকর্মীরাও এই ঘটনায় স্তম্ভিত
দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র জানিয়েছেন, ‘একটি নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। মিলনমেলা চলছিল একটি মাজারে। আমাদের কাছে খবর এসেছিল একটি মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আমরা গিয়ে দেখি গলায়-ঘাড়ে একাধিক কামড় দেখা গিয়েছে। কোনও সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। পরে আমরা জানতে পারি, যিনি খুন হয়েছেন তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। আমরা খুনের কারণ পাচ্ছিলাম না। পরে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাই কে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তাকে গ্রেফতার করি। অভিযুক্ত স্বীকার করেছে সে খুন করেছে। কোনও কারণ নেই। সে শুধু খুনের জন্য খুন করেছে। পরে জানতে পারি, খুনের পর মৃতদেহ নিয়ে আসে। তারপর সেটি কলতলায় পরিষ্কার করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানতে পারি, তার নাকি উদ্দেশ্য ছিল মৃতদেহ খাওয়া। এটি বিরলতম ঘটনা।’
এই ঘটনায় দিনহাটায় আতঙ্ক
এক নরখাদক এতদিন ঘুরে বেড়াচ্ছিল, এ কথা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কোচবিহারের বাসিন্দারা। দিনহাটায় এখন এই ঘটনা নিয়েই আলোচনা চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ধৃত ব্যক্তিকে কঠোর সাজা দিতে হবে। কারণ, সে ছাড়া পেলে ফের এই ধরনের অপরাধ ঘটাতে পারে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


