কোভিশিল্ড VS কোভ্যাক্সিন, কোনটা শক্তিশালী, রবিবারই ছাড়পত্র পেয়েছে দুটি করোনা-টিকা

Published : Jan 03, 2021, 03:20 PM ISTUpdated : Jan 04, 2021, 04:55 PM IST
কোভিশিল্ড VS কোভ্যাক্সিন, কোনটা শক্তিশালী, রবিবারই ছাড়পত্র পেয়েছে দুটি করোনা-টিকা

সংক্ষিপ্ত

কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন দুটিকে ছাড়পত্র দিয়েছে ডিসিজিআই  বলা হয়েছে দুটি টিকাই নিরাপদ  জরুরি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে  দাম থেকে কার্যকারিতা সবকিছু খতিয়ে দেখেই ছাড়পত্র 

এখন একটা নয় দু-দুটো প্রতিষেধক রয়েছে ভারতের হাতে। রবিবার ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল অব ইন্ডিয়া বা ডিসিজিআই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কোভিশিল্ডের পাশাপাশি কোভ্যাক্সিনকে জরুরি অনুমোদন দিয়েছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে দুটি প্রতিষেধকই নিরাপদ। নিয়ন্ত্রিত জরুরি প্রয়গের জন্য দুটি ভ্যাক্সিনকেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

দুটি ভ্যাক্সিনকে করোনা ক্লান্ত দেশে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার এক নজরে দেখে নিন দুটি ভ্যাক্সিনের বৈশিষ্ঠ্য। 

বিকাশকারী ও নির্মাতা 
অক্সফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটিশ সুইডিস সংস্থা অ্যাস্ট্রোজেনেকার যৌথ উদ্যোগে বিকাশ করা হয়েছে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক কোভিশিল্ড। এটি তৈরি বরাত পেয়েছে ভারতীয় সংস্থা পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। শুধু ভারত নয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশেই টিকা সরবরাহ করবে এই সংস্থা। 
কোভ্যাক্সিন হয় সজুব সংকেত পাওয়া সর্বপ্রথম দেশীয় টিকা। ভারত বায়োটেক, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ ও নাশ্যানাল ভাইরোজলের সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে এটি। 

ভ্যাক্সিনগুলির বিকাশ পদ্ধতি 

কোভিশিল্ড সাধারণ কোল্ড ভাইরাস ও দুর্বল সংস্করণের উপর ভিত্তি করে একটি প্রতিরূপ ঘাটতি যা শিম্পাঞ্জি ভাইরাল ভেক্টর ব্যবহার করে।এটি মূলত একটি প্রোটিন টিকা। টিকা দেওয়ার পরে পৃষ্ঠের স্পাইক প্রোটিন উৎপাদিত হয়। এটি পরবর্তী শরীরে সংক্রমিত হবে সার্স কোভ-২ ভাইরাস আক্রমণ করতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রাইমিং করে। 

কোভ্যাক্সিক একটি নিস্ক্রিক টিকা। এটি যা জীবাণু মাইক্রো অরগানিসিমগুলি রোগের কারণ থেকে নিষ্ক্রিয়করণ দ্বারা তৈরি করা হয়। এটি রোগজীবাণুগুলির প্রতিরূপকরণের ক্ষমতা নষ্ট করে। এটি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। 


পরীক্ষা ও কার্যকারিতা 
নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, সেরাম ইমস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ২৩,৭৪৫ জনের ওপর করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগের প্রথম দফার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে করোনা মোকাবিলায়  এটি ৭০.৪২ শতাংশ সফল। ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল জানিয়েছে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ১৬০০ মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছিল টিকা। যেখানে সাফল্যের প্রথম পর্যায়ের তুলনায় অনেকটাই ভালো। 

ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা ৮০০ জনের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে।একাধিক পশুর ওপরেও প্রয়োগ করা হয়েছে। তৃতীয় দফার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ২২.৫০০ জনের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। যেখানে ওষুধটি নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। 

খরচ
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন দেশের স্বাস্থ্য কর্মী ও ফ্রন্টলাইন যোদ্ধারা বিনামূল্যেই করোনাভাইরাসের টিকা পাবেন। ভারতের বাজারে কোভিশিল্ডের দাম পড়বে ৪০০ টাকা।আগেই জানিয়েছিলেম সংস্থার প্রধান আদার পুনেওয়ালা। আর ভারত বায়োটেকের তৈরি টিকার দাম পড়বে ১০০ টাকা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার দুটির চূড়ান্ত দাম ধার্য করেনি।


 

PREV
click me!

Recommended Stories

Air India Frankfurt to Delhi Flight: মাঝ আকাশে বিমান হাইজ্যাকের আতঙ্ক! ফ্রাঙ্কফুর্ট-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান জরুরি অবতরণ জয়পুরে
CJP Leaders Arrested: সিজেপি নেতাদের ৫ দিনের জেল, 'জরুরি অবস্থা ঘোষণা করুক কেন্দ্র' বললেন দীপকে