'ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে'ই কি চিনের ১৬টি সেনা ছাউনি, গালওয়ানে ভারী হচ্ছে 'ড্রাগনের পায়ের ছাপ'

Published : Jun 28, 2020, 10:19 AM IST
'ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে'ই কি চিনের ১৬টি সেনা ছাউনি, গালওয়ানে ভারী হচ্ছে 'ড্রাগনের পায়ের ছাপ'

সংক্ষিপ্ত

এবার গালওয়ানে চিনে দখলদারি তৈরি হয়েছে অস্থায়ী সেনা ছাউনি স্যাটেলাইট ইমেঝে ধরা পড়েছে সেই ছবি ১৬টি ছাউনি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতীয় সেনার   

যত দিন যাচ্ছে সীমান্তবর্তী এলাকায় ততই ভারী হচ্ছএ ড্রাগনের পায়ের ছাপ। সেনা সরানোর কথা দূর অস্ত। ধীরে ধীরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমারেখার ধার ঘেঁসে সৈন্য জামায়েত করছে চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মি। সদ্যো পাওয়া একটি স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যাচ্ছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন গালওয়ান নদী বরাবর বেশ কয়েকটি ত্রিপলের ছাউনি তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এগুলি লাল ফৌজের সেনা ছাউনি। 


সমর বিশেষজ্ঞদের কথায় গালওয়ান নদীর তীরবর্তী প্রায় ৯ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে পিপিলস লিবারেশন আর্মির সেনা ছাঁউনি। কমপক্ষে ১৬টি সেনা ছাঁউনি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে চিনা সেনার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে ভারতীয় সেনার সামনে রীতিমত কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে বলেই মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতীয় সেনা বাহিনীর এক কর্তার কথায় গত ২২ জুনে পাওয়া স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা পড়েনি কোনও ছাউনির ছবি। কিন্তু ২৫ জুনই থেকেই দেখা যাচ্ছে চিনা সেনার ছাউনি। রাতারাতি ওই এলাকায় লাল ফৌজ জড়ো হয়েছে বলেও তিনি মনে করছেন। তবে এক সমর বিশেষজ্ঞের কথায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমারেখা সংলগ্ন এই এলাকা চিনা সেনার অনুপ্রবেশের হাত থেকে রক্ষা করা ভারতীয়দের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই এলাকা থেকে গালওয়ানঘাঁটি দখলে রাখা যেকোনও সেনা দলের কাছেই খুব সহজ। ভারতীয় সেনা বাহিনী সূত্রে খবর চিনের এই সেনা ছাউনি, দুর্বুক-দৌলত বেগ ওল্ডি হাইওয়ে থেকে খুবই কাছে। উত্তর লাদাখের সাব সেক্টর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আর ভারত সরকার এই দৌলত বেগ ওল্ডি রাস্তা নির্মাণের কারণেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বেজিং। এই হাইওয়েটি কারাকোরামপাশে আবস্থিত ভারতীয় এলাকাগুলিতে যাতায়াত অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে। যাতে ক্ষোভ বাড়ছে জিংপিং প্রশাসনের। এই রাস্তাটির কারণে ভারতীয় সেনা শীতকালে স্বাচ্ছন্দ্য যাতায়াত করতে পারবে। তুষারপাতের কারণে বাধাপ্রাপ্ত হবে না সেনার রসদের গতি। 

২৫ ও ২৬ জুনে  স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাওয়া ছবি আবারও সীমান্ত চিনা শক্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় বাড়ছে ভারী যানচলাচল। স্যাটেলাইট ইমেজ পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞদের মতামত, গালওয়ান অববাহিকার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কালভার্টা আর রাস্তা নির্মাণেরও কাজ চলছে জোর কদমে। ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর গত মে মাসে যে চিনা সেনার যে জমায়েত শুরু হয়েছিল তা এখনও অব্যাহত। অথচ সীমান্ত উত্তাপ কমাতে দীর্ঘ সময় ধরেই সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছে দুই দেশ। সরকারিভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা ঘোষণা করা হলেও পিপিলস লিবারেশন আর্মির কারণে সীমান্ত পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

PREV
click me!

Recommended Stories

Amit Shah: ভোটের জন্য রামের নাম, কিন্তু মন্দিরেই যাননি অমিত শাহ: কেজরিওয়াল
8th Pay Commission: সরকারি কর্মচারীদের বেসিক পে কি ১৮০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫০০০ টাকা হবে?