লাদাখের ৪ এলাকায় বন্ধ পেট্রোলিং জানাল সেনা সূত্র, দেপসাং সমভূমিতে ভারত ও চিনা সেনার কাছাকাছি অবস্থান

Published : Jul 12, 2020, 11:22 AM IST
লাদাখের ৪ এলাকায় বন্ধ পেট্রোলিং জানাল সেনা সূত্র,  দেপসাং সমভূমিতে ভারত ও চিনা সেনার কাছাকাছি অবস্থান

সংক্ষিপ্ত

লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ এলাকা থেকে সেনা ৬০০ মিটার সেনা সরেছে প্যাংগং লেকে অবস্থান রয়েছে চিনা সেনার  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই টহল বন্ধ  ভারতের পথে হেঁটেছে চিন 

পূর্ব লাদাখ সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে চিনা সেনা সরে গেলেও এখনও পর্যন্ত সীমান্ত উত্তাপ পুরোপুরি প্রসমিত হয়নি। সেনা সূত্রের খবর সংঘর্ষের ঘটনা এড়াতে বন্ধ রাখা হয়েছে বেশ কয়েকটি এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে পেট্রোলিং। আগে বলা হয়েছিল দুই দেশের সেনা বাহিনী সরে যাওয়ায় তৈরি করা হয়েছে একটি বাফার জোন। সেনা সূত্রে বলা হয়েছে কোনও বাফার জোন নেই। শুধু অশান্তি এড়াতেই পেট্রোলিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

সেনা সূত্রের খবর লাদাখের গালওয়ান, হটস্প্রিংসহ মূল চারটি বিতর্কিত এলাকা থেকে চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মি ও ভারতীয় সৈন্য প্রায় ৬০০ মিটার সরে গেছে। এই এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরেই চিনের পিপিলস লিবারেশ আর্মি ও ভারতীয় জওয়ানরা একে অপরের চোখে চোখ রেখে অবস্থান করছিল। 

সেনা সূত্রের খবর চিনা সেনা বাহিনী পশ্চিম লাদাখের  প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ১৫৯৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রীতিমত আগ্রাসী ভূমিকা নিচ্ছিল। কিন্তু এখন সেখানেও পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। 


সেনা সূ্ত্রের খবর চিনের লালফৌজ বর্তমানে স্ট্যান্ড অফ পয়েন্ট থেকে ১.৫ কিলোমিটার দূরে সরে গিয়েছিল। এক সামরিক আধিকারিক বলেছেন এর থেকেই স্পষ্ট যে দুই দেশের মধ্যে কোনও বাফার জোন ছিল না। সীমান্ত উত্তাপ থেকে দুই দেশের সেনাবাহিনীরে বিরত করতে জওয়ানদের অবস্থান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। 

শনিবারই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, সীমান্ত সমস্যা সমাধানে চিনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রচেষ্টায় অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দুই দেশই সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজতে মরিয়া বলেও জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি বিবেচনা করেই দুই দেশ সীমান্তের উত্তপ্ত এলাকাগুলি থেকে বাহিনী সরিয়ে নেওয়ায় এক মত হয়েছে। 
 

সামরিক সূত্রের খবর, ভারত-চিন দুই দেশই সতর্কতা মূলক অবস্থান হিসেবে গালওয়ান, গোগরা, হট স্প্রিং, প্যংগং তোস - এর মত চারটি স্ট্যান্ড অফ এলাকায় আপাতত টহল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্যাংগং তসো এলাকায় এখনও পর্যন্ত চিনা সেনার উপস্থিতি রয়েছে। তবে আগের তুলনায় লাল ফৌজের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে বলেও দাবি করেছে সামরিক সূত্রটি। তাই ভারতও ওই এলাকায় কিছু সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। অন্যদিকে দেপসাং সমভূমি এলাকায় দুই দেশের সৈন্যরা এখনও পর্যন্ত খুব কাছাকাছি রয়েছে বলেও সূত্রের খবর। ২০০৮ ও ২০১৩ সালেই স্ট্যান্ড অফের পর টহল থেকে বিরত ছিল ভারত ও চিনা সেনা। লাদাখ পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক করতে আগামী সপ্তাহে ভারত ও চিনের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরে বৈঠক হওয়ার কথা। 


 

PREV
click me!

Recommended Stories

'বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মাণ হবে না' হুঁশিয়ারি যোগীর! এবার কী করবেন হুমায়ুন কবীর?
8th Pay Commission Latest Update: অষ্টম বেতন কমিশনের আপডেট পেশ করল সরকার! কর্মীদের অপেক্ষার নতুন মোড়