করোনা পা রাখতেই উত্তর কোরিয়ায় জারি জরুরি অবস্থা, গর্দান নেওয়ার লোক খুঁজছেন কিম জং-উন

Published : Jul 26, 2020, 01:24 PM IST
করোনা পা রাখতেই উত্তর কোরিয়ায় জারি জরুরি অবস্থা, গর্দান নেওয়ার লোক খুঁজছেন কিম জং-উন

সংক্ষিপ্ত

এতদিন একজনও করোনা রোগী নেই বলে দাবি করত উত্তর কোরিয়া শনিবার একজন করোনা সন্দেহভাজনের সন্ধান মিলল তারপরই তড়িঘড়ি লকডাইন জারি করলেন কিম জং উন তবে এর জন্য অনেকেরই গর্দান য়েতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে  

শনিবার পর্যন্ত একটিও করোনা সংক্রমণের কেস নেই বলে দাবি করত কিং জং-উনের উত্তর কোরিয়া। কিন্তু গত ২৪ ঘন্টায় পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। সেই দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম রবিবার জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার প্রথম করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তি বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকেই অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করেছিলেন ওই ব্যক্তি। এই নিয়ে শনিবারই জরুরি ভিত্তিতে পলিটব্যুরো মিটিং করেছেন কিম। এর জন্য কার গর্দান নেওয়া যায়, সেই লোকদের নাম খুঁজছেন তাদের সর্বোচ্চ নেতা।

যদিও এখনও ওই ব্যক্তি যে কোভিড আক্রান্ত, তার নিশ্চিত কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষা রিপোর্ট পজিটিভ এলে ওই ব্যক্তিই হবেন উত্তর কোরিয়ার সরকারিভাবে স্বীকৃত প্রথম করোনা রোগী। উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিন বছর আগে ওই ব্যক্তি দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। গত ১৯ জুলাই তিনি অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে কায়সং সিটি-তে ফিরে আসেন। তাঁর দেহে কোভিড-১৯ এর সব উপসর্গই রয়েছে।

এই নিয়ে শনিবারই উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন, একটি পলিটব্যুরোর বৈঠক করেন। এরপরই কিম দেশে ভাইরাসটি সংক্রামণের বিষয়ে 'সর্বোচ্চ জরুরি অবস্থা' জারি করেছেন। শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি সভার পর, সীমান্তবর্তী শহর কায়সং-এ লকডাউন জারি করা হয়েছে।

তবে এখন গর্দান যাওয়ার ভয়ে কাঁপছে কায়সং-এর বাসিন্দারা। ছয় মাস আগে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি ছড়িয়ে পড়তেই সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। তারপরও কীভাবে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি কড়া নজরদারি এড়িয়ে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারল, সেই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কিম জং-উন। এই ঘটনায় যাদের দোষী পাওয়া যাবে তাদের 'কঠোর শাস্তি' দেওয়া হবে বলে আগাম সতর্ক-ও করে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিও ছাড় পাবেন না বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

তবে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে সীমান্তে কোনও অবৈধ পারাপারের খবর দেয়নি দক্ষিণ কোরিয়া। কাজেই ওই ব্যক্তি দক্ষিণ কোরিয়া থেকেই কিমের দেশে ঢুকেছেন, এমনটা নাও হতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ায় এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪,১৫০। এই মুহূর্তে সেকানে সংক্রমণের হার বেশ কম হলেও গত মার্চ-এপ্রিল মাসে হু হু করে আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়ছিল। কিন্তু বরাবর তাদের দেশে একজনও আক্রান্ত নেই বলে দাবি করেছে পিয়ং ইয়ং। চলতি মাসের শুরুতেও কিম জং দাবি করেছিলেন, কোভিড-১৯ মহামারির মোকাবিলায় তাঁর দেশ 'উজ্বল সাফল্য' পেয়েছে।

 

PREV
click me!

Recommended Stories

Fattah 2 Hypersonic Missile: ভয়াবহ হাইপারসনিক মিসাইলের প্রয়োগ ইরানের, কত দ্রুত, কত দূরে আঘাত হানতে পারে শুনলে চমকে যাবেন
Ajker Bangla News Live: Fattah 2 Hypersonic Missile - ভয়াবহ হাইপারসনিক মিসাইলের প্রয়োগ ইরানের, কত দ্রুত, কত দূরে আঘাত হানতে পারে শুনলে চমকে যাবেন