বেড়ে গেল মহাসাগরের সংখ্যা, পৃথিবীর পঞ্চম মহাসাগর এখন 'সাদার্ন ওশান'

Published : Jun 09, 2021, 08:14 PM IST
বেড়ে গেল মহাসাগরের সংখ্যা, পৃথিবীর পঞ্চম মহাসাগর এখন 'সাদার্ন ওশান'

সংক্ষিপ্ত

পৃথিবীতে মহাসাগর ছিল চারটি আরও একটি বাড়ল ৮ জুন তারিখে বিশ্ব মহাসাগর দিবসে পৃথিবীর পঞ্চম মহাসাগর হল দক্ষিণ মহাসাগর এই সাগরেই বাস তিমি থেকে পেঙ্গুইনের  

এতদিন পৃথিবীতে মহাসাগর ছিল চারটি - আটলান্টিক মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগর বা সুমেরু মহাসাগর। তবে, ৮ জুন, বিশ্ব মহাসাগর দিবসে মহাসাগরের সংখ্যা একটি বেড়ে গেল। এখন পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের কার্টোগ্রাফার-রা দক্ষিণ মহাসাগর (Soutyhern Ocean)-কে গ্রহের পঞ্চম সমুদ্র হিসাবে চিহ্নিত করল। ১৯১৫ সাল ন্যাশনাল জিওগ্রাফি সোসাইটি পৃথিবীর মানচিত্র তৈরি করে। এবার সেটা একটু পাল্টে গেল।

বস্তুত, অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের উপকূল থেকে ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ রেখা পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল জল সম্ভারকে মহাসাগর হিসাবে চিহ্নিত করা হবে কি হবে না - এই বিষয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক ছিল। তবে এখন আর সেই দ্বন্দ্ব রইল না। দক্ষিণ মহাসাগর-কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগলিক নামকরণকারী সংস্থাও স্বীকৃত দিয়েছে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সংস্থার পক্ষ থেকে এনওএএ-র সমুদ্র বিজ্ঞানী সেথ সাইকোড়া-বোডি বলেছেন, দক্ষিণ মহাসাগরের প্রাকৃতি সৌন্দর্য মন্ত্রমুগ্ধকর। ব্যাখ্যা করাই কঠিন। শীতল বাতাস, রুক্ষ পাহাড়, সব মিলিয়ে এমন প্রাকৃতিক দৃশ্য আর কোথাও দেখা যাবে না।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সংস্থা জানিয়েছে, অন্যান্য মহাসাগরগুলিকে তাদের আশেপাশের অঞ্চলের নাম দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছিল, কিন্তু দক্ষিণ মহাসাগরের নাম হয়েছে তার স্রোতের গতি অনুসারে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন ৩৪ মিলিয়ন বছর আগে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আন্টার্কটিকা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর অ্যান্টার্কটিক সার্কোপোলার কারেন্ট বা এসিসি পশ্চিম থেকে পূর্বে বইতে শুরু করেছিল। এই স্রোত ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশে কেন্দ্রিক, তাই এই অক্ষাংশ এখন দক্ষিণ মহাসাগরের সীমানা চিহ্নিত করছে। আর এই জলভাগেই বাস করে তিমি, পেঙ্গুইন সিল-এর মতো সামুদ্রিক প্রাণীরা।

 

 

PREV
click me!

Recommended Stories

Iran President: ইদে মুসলিমদের এক জোট হওয়ার ডাক ইরানে, 'ইসলামিক অ্যাসেম্বলি অব দ্য মিডল ইস্ট' তৈরির প্রস্তাব
India LPG Tankers: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতে হরমুজে অচলাবস্থা, ভারতের পথে আরও ২টি এলপিজি জাহাজ