রাজ্যের সমস্ত জেলে বন্দিদের করোনা পরীক্ষার দাবি, কারামন্ত্রীকে চিঠি দিল এপিডিআর

Published : May 19, 2020, 10:52 PM IST
রাজ্যের সমস্ত জেলে বন্দিদের করোনা পরীক্ষার দাবি, কারামন্ত্রীকে চিঠি দিল এপিডিআর

সংক্ষিপ্ত

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের বন্দির করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু  মৃত্যুর আগে বন্দিকে চিকিৎসার জন্য কোভিড হাসপাতালে যা আতঙ্ক তৈরি করেছে বন্দি ও কারাকর্মীদের মধ্যে  জেলবন্দিদের এই পরিস্থিতি শোধরানোর দাবিতে কারামন্ত্রীকে চিঠি 

প্রেসিডেন্সি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের এক বন্দির করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আতঙ্ক তৈরি করেছে রাজ্য়ের কারা মহলে। মৃত্যুর আগে বন্দিকে চিকিৎসার জন্য কোভিড হাসপাতাল কলকাতা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ায় বন্দিদের মধ্যে আরও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অথচ জেলগুলিতে করোনা টেস্টের কোনও ব্যবস্থাই করা হয়নি। এবার জেলবন্দিদের এই পরিস্থিতি শোধরানোর দাবিতে কারামন্ত্রীকে চিঠি পাঠাল মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর। দলের তরফে এই চিঠি পাঠিয়েছেন সংগঠনের সহ-সভাপতি রঞ্জিত শূর।

চিঠিতে রঞ্জিতবাবু লিখেছেন,মহারাষ্ট্রের একটা জেলেই ১৮৫ জন বন্দি করোনা আক্রান্ত। আর্থার রোড জেল। মহারাষ্ট্রেরই, বাইকুলা মহিলা জেল এবং সাতারা জেলেও বন্দি ও কারা কর্মীরা করোনা আক্রান্ত। উত্তরপ্রদেশের আগ্রা জেলে এক বন্দি করোনায় মারা গেছেন, আরও ১৭জন সংক্রমিত। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলে ১৯ জন করোনা সংক্রমিত। জয়পুর জেলে ১২৯ জন বন্দি সংক্রমিত। একই আশংকায় বাগপত জেলেও অনেক বন্দিকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকার সিদ্বান্ত নিয়েছে মোট ৩৫৬০০ জেলবন্দির অর্ধেক অর্থাৎ  ৫০ শতাংশ বন্দিকে জামিনে বা প্যারোলে সাময়িক মুক্তি দেবে। প্রায় ১৮০০০ বন্দি সাময়িক মুক্তি পাবেন আশা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের কারণ জেলে জায়গার অভাবে ঠাসাঠাসি করে থাকা বন্ধ করা।করোনা ছড়ানো বন্ধ করা। তামিলনাড়ু সরকারও মোট বন্দির ৫০ শতাংশকে মুক্তি দিয়েছে। 

সংগঠনের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারও এ রাজ্যের জেলগুলিতে বন্দিদের ঠাসাঠাসি করে থাকা কমাতে মাত্র ৫/৬ হাজার বন্দি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার অর্ধেকেরও বেশি বন্দিকে ছেড়ে উঠতে পারেনি। ৫/৬ হাজার বন্দির সবাইকে ছাড়লেও এ রাজ্যের জেলেগুলি ব্যাপক ভীড়াক্রান্তই থাকবে। কারণ এ রাজ্যের কোন জেল-ই তাতে বিশেষ খালি হবে না। কারণ ধারণ ক্ষমতার চেয়ে সব জেলেই বন্দিসংখ্যা অনেক অনেক বেশি।

সেখানে দাঁড়িয়ে মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন রাজ্য সরকার  বন্দিদের করোনা টেস্ট করেছে,তাই ধরা পড়েছে। পশ্চিমবাংলায় টেস্ট নেই, তাই করোনাও নেই জেলে!সংগঠনের দাবি,অবিলম্বে এ রাজ্যের জেলে বন্দি ও কারা কর্মীদের দ্রুত  করোনো পরীক্ষা শুরু করা হোক। সংগঠন মনে করে,  এ রাজ্যের জেলে চিকিৎসা ব্যবস্থা বলে কার্যত কিছুই নেই। তাই একবার কোভিড শুরু হলে বেঘোরে মারা পড়বেন বহু বন্দি ও কারা কর্মী। তাই জেলে জেলে করোনা টেস্ট শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বন্দিদের মুক্তির ব্যবস্থাও করা হোক। 

PREV
click me!

Recommended Stories

Chandrima Bhattacharya: নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখেছিলেন মমতা, তার সঙ্গে চন্দ্রিমার পদত্যাগের কী সম্পর্ক?
Chandrima Bhattacharya Resign: কেন মমতাকে ছাড়লেন চন্দ্রিমা? প্রশ্ন শুনে কী বললেন মমতার একসময়ের ছায়াসঙ্গী?