
দিদিমা-ঠাকুমা থেকে শুরু করে ডাক্তার পর্যন্ত ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। যদিও প্রতিটি ফলে ভিটামিন-ফাইবার এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় তবে আপনি কি কখনও ড্রাগন ফল খেয়েছেন? এই ফলটি যতটা অভিনব নামের, এর গুণও ততটাই বিশেষ। অন্যান্য দেশে এটি ক্যাকটাস ফল বা স্ট্রবেরি পেয়ার নামে পরিচিত। এই ফলের গঠন খুবই অনন্য এবং এটি স্বাদে অত্যন্ত মিষ্টি। গোলাপী রঙের এই ফল চার প্রকারের। হলুদ ড্রাগন ফল, বেগুনি ড্রাগন ফল, গোলাপী ড্রাগন ফল এবং লাল ড্রাগন ফল। এই ফলটি অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কেন ড্রাগন ফলকে ডায়েট প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
১) ওজন কমাতে সাহায্যকারী
যারা ওয়েটলস জার্নিতে আছেন বা ওজন কমাতে চান তারা ড্রাগন ফল সেবন করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়। যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরে রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়া থেকে রক্ষা করে। আপনার যদি খিদে পায় তবে এটি সেবন করতে পারেন।
২) পুষ্টি উপাদানে ভরপুর
ড্রাগন ফল ভিটামিন সি, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। যেখানে ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আয়রন রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে, যার ফলে শরীর শক্তি অনুভব করে। অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম পেশি এবং স্নায়ুগুলিকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
৩) শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ড্রাগন ফল
ড্রাগন ফলে ফাইবার থাকে যা শরীর থেকে ধীরে ধীরে শর্করা শোষণ করে। যার ফলে ইনসুলিনের পরিমাণ সঠিক থাকে এবং শর্করা বাড়ে না। আপনি যদি ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন তবে এটি আপনার ডায়েট প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করুন।
৪) চুল-ত্বকের জন্য উপকারী
ড্রাগন ফল চুলে অক্সিজেন সরবরাহ করে। যার ফলে চুল মজবুত হয় এবং চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আপনার মুখে যদি ফাইন লাইন থাকে বা মুখ মলিন দেখায় তবে এটি সেবন করুন। ড্রাগন ফলে ভিটামিন সি এবং কোলাজেন থাকে। যা ত্বক টান রাখে।
৫) হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে
ড্রাগন ফলে আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকে, যা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে। হিমোগ্লোবিন হৃদপিণ্ড থেকে অক্সিজেন শরীরের অন্যান্য অংশে সরবরাহ করতে সাহায্য করে। যার ফলে হৃদপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করে।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News