বৃহস্পতিবারই থেমে গিয়েছিল বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামানের পথ চলা। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। কিন্তু তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এল এক দুঃসংবাদ। প্রয়াত শিক্ষাবিদের ভাই আখতারুজ্জামন জানিয়েছেন তাঁর দাদা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। নমুনা পরীক্ষায় তেমনই রিপোর্ট পাওয়া গেছে। সেনা হাসপাতালের চিকিৎসকরা গত ১০ মে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলেন। সেই সময় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু মৃত্যুর পর করা পরীক্ষার রিপোর্ট এল পজেটিভ। 

গত ২৭ এপ্রিল প্রবল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামান। প্রথমে ঢাকা ইউনিভার্সাল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, উচ্চ রক্তচাপসহ শরীরে একাধিক জটিলতা ছিল। পরিস্থিতি সংকটজন হওয়ায় তাঁকে সামরিক হাসপতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার মৃত্য হয় বিশিষ্ট সাহিত্যিকের। হাসপাতালে আসার আগেই কী তিনি সংক্রমিত ছিলেন? নাকি হাসপতালে আসার পর সংক্রমিত হয়েছেন? সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে বলেই সূত্রের খবর। 

আরও পড়ুনঃ মোদীর 'দো গজ দুরি'কে ধুলোয় মিশিয়ে দিল শিবরাজের মধ্য প্রদেশ, স্বাগত জানাল সাধুকে ...

আরও পড়ুনঃকরোনা সংক্রমণ নিয়ে আরও ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, এবার চিনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ইঙ্গিত ...

আরও পড়ুনঃ অভিবসী শ্রমিকরা কেন রাস্তায়, সেই সিদ্ধান্ত রাজ্যকেই নিতে দিন, লক্ষ্য করা অসম্ভব বলল সুপ্রিম কোর্ট ...

অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ১৯৩৭ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আনুসুজ্জামান। শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল পার্ক সার্কাসের একটি স্কুলে। কিন্তু দেশভাগের পর চলে গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। সেই দেশই তাঁর কর্মভূমি।মুক্তি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন আনিসুজ্জামান। স্বাধীন বাংলাদেশে মৌলবাদ ও রাজাকাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে তিনি সর্বদা ছিলেন সামনের সারিতে। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দুই দেশে বসবাসকারী তাঁর গুণমুগ্ধরা।