রাজযোটক ধারাবাহিকে সকলের নজর কেড়েছিলেন বনি থুড়ি মিশমি দাস। আসলে আজও ব্যস্ততম টেলি তারকা মিশমি সকলের প্রিয় বনি হয়েই রয়ে গিয়েছেন। বাড়ির যাবতীয় দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া, সকলের ভরসা হয়ে ওঠা এবং সকলের মন বুঝে চলা, এমন একটা চরিত্র যে সহজেই মন কেড়ে নেবে সকলের তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু যত সহজভাবে কথাগুলো বলে দেওয়া যায়, ততটা কি সহজ ক্যামেরার সামনে তা তুলে ধরা? মিশমি কিন্তু তা করতে পেরেছিলেন, আর পেরেছিলেন বলেই খুব কম সময়েই তিনি সকলের বাড়ির মেয়ে হয়ে ওঠেন। 

আরও পড়ুন-  প্রকাশ্যে চুমু খেয়ে ভাইরাল হলেন শ্রেয়া ঘোষাল, দেখুন ভিডিও

এরপর ফিরে তাকানোর প্রয়োজন হয়নি। কারণ ঝুলিতে এসেছে প্রেমের ফাঁদে, গাছ কৌটো, ফাগুণ বউ এমনই সব জনপ্রিয় ধারাবাহিক। আর মিশমি তাতেও একের পর এক নিজের ছাপ রেখেছেন। আর তার পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাসেই তাই একটা সময়ে বুড়ো সাধু-ও হেঁটে হেঁটে এসেছে তার কাছে। পরিচালক ভিকের একেবারে ভিন্ন ধরণের একটি ছবিতে মিশমিকে দেখা গিয়েছে অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তীর প্রথম প্রেমিকার ভূমিকায়। তবে শুধু প্রেমিকা নয়, চরিত্রের নেগেটিভ শেড-ও রয়েছে। 

আরও পড়ুন-  দ্বৈত চরিত্রে ঋতুপর্ণা, তাঁর নতুন ছবি লাইম এন লাইটে

সম্প্রতি হয়ে গেল বুড়ো সাধু ছবির প্রিমিয়ার। আরে সেখানেই ডিপ্রেশন নিয়ে মনের কথা ক্যামেরার সামনে রাখতে একটুও সময় নিলেন না মিশমি। বরং জানালেন, ডিপ্রেশন এমন একটা বিষয় যা নিয়ে কথা বলতে তিনি লজ্জা পান না। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এর আগেও অকপটেই মিশমি জানিয়েছেন তিনি মনে করেন, শুধু ডিপ্রেশন নয়, স্ট্রেস নিয়েও মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া যায়। বিষয়টাকে একটা অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা উচিত।  

আরও পড়ুন-  টলিউডে ধামাকা খবর, সৌরভকে বিয়ে করছেন জুন মালিয়া

এখানেই শেষ নয়। নিজেও একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন আর তাই মিশমি স্পষ্টই জানালেন এই ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসাটা একেবারেই নিজের ওপর নির্ভর করে। সেই সঙ্গে তিনি এও জানান, পাগলরা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যায়, এমনটা ভেবে নেওয়া উচিত হয়। কাজের চাপ, মনের চাপ যে কোনও কারণ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা উচিত।