কোভিড সংক্রমণ নিয়ে নতুন গবেষণা  সার্সের মধ্যেই প্রথম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে  ১৭ বছর আগে উহানের বাজারগুলিতে  করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন দাবি বিজ্ঞানীদের 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে একটি নতুন তথ্য হাতে পেলেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আজ থেকে ১৭ বছর আগে চিনের উহানের বাজারগুলিতে কোভিডএর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন সার্স (SARS)এর মাধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছিল সংক্রমণ। কোনও প্রাণী থেকেই সংক্রমণটি ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিশঙ্কর প্রসাদ, হর্ষ বর্ধন, প্রকাশ জাভড়েকর, কী কারণে ৩ হাইপ্রোফাইল মন্ত্রীর পদত্যাগ

মহামারির ইতহাস বলছে, সার্স কোভ২ মহামারিটি তুলনা করা চলে ওয়েট মার্কেট থেকে ছড়িয়ে পড়া মহামারির সঙ্গে। প্রাণী বাজার থেকে যে মহামারি ছড়িয়েছিল তার জন্য মানুষকেই দায়ি করা হয়। ওডওয়ার্ড হোমস, অ্যান্ড্রু রামবাউটসহ ১৯ জন বিজ্ঞানীর পর্যালোচনায় উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। সদ্য প্রকাতিশ গবেষণায় বলা হয়েছে, সার্স কভ-২এর জেনেটিক স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। প্রারম্ভিক এপিডেমোলজি আর উহার ইনস্টিটিটের গবেষণায় তার বিষদ ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ও একই বিষয় নিয়ে কাজ করছে। তাঁদের হাতে যে তথ্য রয়েছে তাও একই সূত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। গবেষকরা সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানিয়েছেন। 

দৈনিক সংক্রমণ ৫ শতাংশের বেশি, সাময়িক স্বস্তি দিয়ে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ উর্ধ্বগামী

সম্প্রতি মাসগুলিতে কোভিডের উৎস সম্পর্কে প্রচুর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। তার বেশিরভাগই অনুমানের ভিত্তিতে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন তাঁদের হাতে কিছু তথ্য রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁরা এই দাবি করছেন বলেও জানিয়েছেন। তাঁদের কাজ একশো শতাংশ সঠিক বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। 

কোভিডে 'মৃত্যুপুরী' বিশ্ব, ১৮ মাসে করোনায় ৪০ লক্ষের মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন WHO

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও করোনা উৎস সন্ধানে জোর দিয়েছেন আমেরিকার গবেষক আর গোয়েন্দাদের ওপর। প্রয়োজনীয় তথ্য জোগাড় করতেও বলেছেন তিনি। অন্যদিকে করোনাভাইরাস চিনের উহানের কুখ্যাত জৈব গবেষণাগারে তৈরি হয়েছিল বলেও অনেকেই দাবি করেছেন। তাঁদের মতে জৈব অস্ত্র তৈরি করেছে চিন, সেখান থেকেই গোটা বিশ্বে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যেই চিনকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তবে এই রিপোর্ট কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারে চিনকে।