প্রশাসক হিসেবে নিজের ৬ বছরের মেয়াদ কাল শেষ করেছেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার আগে ৫ বছর সিএবির দায়িত্ব সামলেছেন বাংলার মহারাজ। বোর্ডের নতুন সংবিধান অনুযায়ী ২৬ জুলাইয়ের পর থেকে কুলিং-অফে থাকার কথা সৌরভের। যদিও বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে সুপ্রিম কোর্টে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহদের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হয়েছে। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। গত ২২ জুলাই বিসিসিআইয়ের আবেদন মঞ্জুর হলেও, শুনানির জন্য ১৭ অগাস্ট তারিখ দেওযা হয়েছিল। কিন্তু ৭ অগস্ট মামলাটি সুনানির জন্য লিপিবদ্ধই করা হয়নি। ফলে আদালতেই ঝুলে রয়েছে সৌরভে গঙ্গোপাধ্যায়ের ভাগ্য।

আরও পড়ুনঃজোর কদমে চলছে আইপিএলের প্রস্তুতি, নেট দুনিয়া আগুন ঝরাচ্ছে হার্দিকের 'মাচো লুক'

যদিও এই সব কিছু নিয়ে ভাবতে নারাজ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখনও বিসিসিআই সভাপতির পদে বহাল রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন,সুপ্রিম কোর্ট না চাইলে চুপচাপ সরে যাবেন বিসিসিআই থেকে। নতুন করে কোনও আবেদনের পথে যাবেন না। এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন,'যদি আদালত আমাদের সরে যেতে বলে, আমি আর জয় শাহ বিষয়টা সেখানেই শেষ করে দেব। আমরা ঠিক হই বা ভুল, ভালো হই বা খারাপ, সবাই দেশের সর্বোচ্চ আদালাতে আবেদন করতে পারেন। যদি ওঁরা অনুমতি দেন, তবে তুমি থাকবে। যদি অনুমতি না দেন, তাহলে তোমাকে সরে যেতে হবে। বিষয়টা একেবারেই পরিষ্কার।'

আরও পড়ুনঃহন্যে হয়ে নিজের একটি গাড়ি খুঁজছেন সচিন, ভক্তদের কাছেও করলেন অনুরোধ

আরও পড়ুনঃমরার আগে ধোনির বিশ্বকাপের শেষ ছয়টা দেখতে চান সুনীল গাভাস্কার, জবাবে কি জানালেন ক্যাপ্টেন কুল

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন ধরে কয়েক জন প্রশাসকের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য লোধা কমিটি নয়া আইন কার্যকর করে। আইন অনুযায়ী কোনও প্রশাসক ৬ বছরের বেশি একটানা পদে থাকতে পারবে না। তাদের ৩ বছরের জন্য কুলিং অফে যেতে হবে। তারপর তারা পুনরায় প্রশাসক হতে পারবেন। ইতিমধ্যেই প্রশাসক হিসেবে নিজেদের মেয়াদ শেষ করেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহ। এখন দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।