শুক্রবার ২৪ এপ্রিল মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকরের ৪৭তম জন্মদিন প্রতিবছৎ ধূমধামের সঙ্গে পালিত হয় ক্রিকেটের ঈশ্বরের জন্মদিন তবে এইবছর জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সচিন করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত সচিন তেন্ডুলকরের  

ক্রিকেট খেলা কালীন বেশিরভাগ সময় সতীর্থদের সঙ্গে জন্মদিন কাটিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার। ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে জন্মদিন সেলিব্রেট করেছেন। কেক কাটা থেকে কেক মাখানো, সবই হত পুরোদস্তুর। ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর স্পেশাল দিনটি পরিবারের সঙ্গেই কাটান সচিন তেন্ডুলকর। চলে সেলিব্রেশনও। শুক্রবার অর্থাৎ ২৪ এপ্রিল ৪৭-এর পা দেবেন মাস্টার ব্লাস্টার। প্রতি বছর এই বিশেষ দিনে নেটদুনিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসেন তিনি। বন্ধু-বান্ধব, সতীর্থ থেকে অগণিত অনুরাগী জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান তাঁকে। কোনও কোনওবার নিজেও সেলিব্রেশনের ছবি বা ভিডিও পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে এবার পরিবারের সঙ্গে থাকলেও, একটু অন্যরকমই কাচবে লিটল মাস্টারের জন্মদিন। করোনাভাইরাস অতিমারির প্রকোপে সারা বিশ্বের মানুষ কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। সে কথা মাথায় রেখে জন্মদিন পালন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন সচিন তেন্ডুলকর। করোনা-যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানাতেই এবার আর পাঁচটা দিনের মতো করেই কাটাবেন ২৪ এপ্রিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ঘোষণা সৌরভের, কী বললেন বিসিসিআই প্রসিডেন্ট

জানা গিয়েছে ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি মাস্টার ব্লাস্টার বলেছেন,সারা দেশ এবং গোটা বিশ্বে খুবই কঠিন এক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন সকলে। ভারতে গত এক মাস ধরে লকডাউন চলছে। এই অবস্থায় নিজের জন্মদিন পালন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তই নিচ্ছেন তিনি। এই সময়টাতে সব চেয়ে বেশি করে দরকার মানুষের জন্য প্রার্থনা করার। ডাক্তার, নার্স, চিকিৎসা শাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত সকলের জন্য, পুলিশ কর্মী এবং সেনা কর্মীদের শ্রদ্ধা নিবেদন করার সময় এটা, কারণ তাঁরা সকলে ব্যস্ত রয়েছেন মানুষের সেবায়। দেশের এইকরম পরিস্থিতিতে উৎসবে মাততে নারাজ ক্রিকেটের ঈশ্বর।

আরও পড়ুনঃহেড কোচ হিসেবে কিবু ভিকুনার নাম ঘোষণা করল কেরালা ব্লাস্টার্স

আরও পড়ুনঃ৯৯ তে আউট ধওয়ান, অল্পের জন্য হাতছাড়া সেঞ্চুরি,দেখুন ভিডিও

করোনা মোকাবিলায় প্রথম থেকেই যথেষ্ট সক্রিয় সচিন তেন্ডুলকর। প্রধানমন্ত্রীর জনতা কার্ফু থেকে লকডাউন সবকিছুকেই সমর্থন করেছেন তিনি। বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণের উদ্দ্যেশ্যে দিয়েছেন সচেতনতার বার্তা। সকলকে ঘরে থাকার, সুস্থ থাকার ও সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। করোনা যুদ্ধে সামিল হয়ে মহারাষ্ট্র সরকার এবং কেন্দ্রর ত্রাণ তহবিলে ২৫ লক্ষ করে মোট ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন সচিন। পাশাপাশি আপনালয় নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে এক মাসের জন্য পাঁচ হাজার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার।