অভিনেতা গোবিন্দার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজা এই বছর একাই গণপতিকে বাড়িতে এনেছেন। তিনি জানান, গত এক বছরে বাপ্পার আশীর্বাদে তিনি অনেক খ্যাতি ও সাফল্য পেয়েছেন, তাই নিজেই এই দায়িত্ব পালন করেন। সুনীতা তাঁর শাশুড়ি নির্মলা

গণেশ চতুর্থীর আনন্দে মেতে উঠেছেন সুনীতা আহুজা। প্রতি বছরের মতো এবারও খুব ধুমধাম করে বাপ্পাকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। তবে এই বছর গণপতিকে বাড়িতে এনেছেন সুনীতা নিজেই। তিনি জানান, তাঁর স্বামী, অভিনেতা গোবিন্দা এখন আমেরিকায় আছেন এবং পরে ফিরবেন।

'বাপ্পা আমাকে অনেক খ্যাতি দিয়েছেন'

ANI-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুনীতা বলেন, “সাধারণত গোবিন্দা জি বা যশবর্ধন গণপতিকে বাড়িতে আনে। কিন্তু এবার আমি নিজেই গান-নাচ করে বাপ্পাকে নিয়ে এসেছি। গত এক বছরে বাপ্পা আমাকে অনেক খ্যাতি দিয়েছেন। আমি খুব পরিশ্রম করেছি এবং আমার কাজও খুব ভালো চলেছে। তাই আমি ঠিক করি, এবার নিজের হাতে গণেশকে আনব।”

পারিবারিক ঐতিহ্য এগিয়ে নিয়ে চলেছেন

আহুজা পরিবারে গণপতি পুজোর এই ঐতিহ্য বহুদিনের। সুনীতা জানান, এই প্রথা তাঁর প্রয়াত শাশুড়ি নির্মলা দেবী শুরু করেছিলেন। আর তিনি প্রতি বছর এই ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, “গণপতির এই ঐতিহ্য আমার শাশুড়ি নির্মলা দেবী শুরু করেছিলেন। আমি সবসময় বলেছি, যতদিন বেঁচে থাকব, প্রতি বছর গণপতি বাবাকে আনব। তখন থেকে এটা চলে আসছে, আর যতদিন আমি আছি, এটা চলতেই থাকবে।”

শীঘ্রই উৎসবে যোগ দেবেন গোবিন্দা

উৎসবের আমেজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সুনীতা আহুজা বলেন, গণেশ চতুর্থীর সময় বাড়ির এই festive পরিবেশ তিনি খুব উপভোগ করেন। তিনি আরও যোগ করেন, “আমি সবসময় দেড় দিনের জন্য গণপতি রাখি, কারণ বেশিদিন রাখলে সেইমতো পুজো ও অন্যান্য নিয়মকানুন পালন করতে হয়।”

এবারের উদযাপনের পুরোভাগে সুনীতা থাকলেও, গোবিন্দা ছিলেন আমেরিকায়। সুনীতা নিশ্চিত করেছেন যে অভিনেতা রাতেই ফিরবেন। তিনি বলেন, “গোবিন্দা জি আমেরিকায় আছেন, রাতে ফিরবেন। যদি উনি ক্লান্ত থাকেন, তাহলে আজ দর্শনের জন্য আসবেন না, কাল আসবেন। এটা তো ওঁরই বাড়ি, তাই আসতেই হবে।”

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় সুনীতা আহুজার বাড়ির বাইরের কিছু ছবি ও ভিডিও সামনে আসে, যেখানে তাঁকে আনন্দের সঙ্গে বাপ্পাকে বাড়িতে আনতে দেখা যায়। ঢোলের তালে মন খুলে নাচতেও দেখা যায় তাঁকে।

সোমবার সারা দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহের সঙ্গে গণেশ চতুর্থী পালিত হচ্ছে। বিভিন্ন প্যান্ডেল ও মন্দিরে ভক্তদের বিশাল ভিড় দেখা যাচ্ছে। ভগবান গণেশের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই উৎসবটি সারা দেশে ঐতিহ্যবাহী আচার-অনুষ্ঠান, প্রার্থনা এবং সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে পালিত হচ্ছে।