করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমায় ইংল্যান্ডে লকডাউন ধীরে ধীরে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংলিশ সরকার। এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে লিগ শুরুর ইতিবাচক সাড়াও মিলেছিলো। তবে ক্লাবগুলো ঐকমতে পৌঁছাতে পারছিলো না।  অবশেষে সোমবার লিগ কমিটির বৈঠকে ভোটাভুটির মাধ্যমে চূড়ান্ত হয় সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার থেকেই অনুশীলনের নামার অনুমতি দেওয়া হয়। ফুটবল ফেরানোর সবরকম প্রস্তুতি তুঙ্গে ইংল্যান্ড জুড়ে। কিন্তু অনুশীলনের প্রথম দিনই ধাক্কা খেতে হল ইপিএল কর্তৃপক্ষকে। করোনা পরীক্ষায় ইপিএলের ক্লাবগুলি থেকে ৬ জনের রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। যাপ ফলে ফের করোনা আতঙ্ক গ্রাস করেছে ইপিএলের ভবিষ্যৎকে।

আরও পড়ুনঃ১০ সপ্তাহ পর অনুশীলনে ফিরলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো,খুশি জুভেন্টাস ভক্তরা

মঙ্গলবার ইপিএলের অনুশীলন শুরুর আগে নির্দেশিকা মেনে  ক্লাবগুলির ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফেদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। আর করোনা পরীক্ষায় ৭৪৮ জনের মধ্যে ৬ জনকে করোনা পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত করল মেডিক্যাল টিম।কোন ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায় তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি কোনও তরফেই। তবে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, ৩টি ক্লাব রয়েছে এই তালিকায়।আপাতত করোনা আক্রান্ত ৬ জনকে ছাড়া সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে অনুশীলনের অনুমতি বহাল রেখেছে লিগ কর্তৃপক্ষ। লিগ কমিটির পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় ৬ জন আক্রান্তকে সাতদিনের সেলফ আইসোলেশনে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেক রাউন্ডের পরীক্ষার পর এভাবেই ফলাফল প্রকাশ করে হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃকন্যা সন্তানের বাবা হলেন বিশ্বের দ্রুততম মানব উসেইন বোল্ট

আরও পড়ুনঃব্যাট ছেড়ে কাচি হাতে সচিন, কাটলেন ছেলে অর্জুনের চুল

প্রতামিকবাবে ধাক্কা হলেও, ইংল্যান্ডে ফুটবল ফেরার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। কারণ এর আগেও অনুশীলন শুরু করার পর ইউরোপের নাম করা ফুটবল লিগগুলিতে প্লেয়ারদের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ ধরা পড়েছে। কিন্তু তাতে লিগ শুরুতে কোনও সমস্যা হয়নি।  এর আগে জার্মানির বুন্দেশলিগায় ১৭০০ জন ফুটবলারের পরীক্ষায় ১০ জনের করোনা ধরা পড়ে। তাতে থেমে থাকেনি বুন্দেশলিগা ফের চালু করার উদ্যোগ।  সিরি-এ  ও লা লিগার অনুশীলন শুরু করার পরপরই ঘটেছিল একই ঘটনা। কিন্তু সাফল্যের সঙ্গে শুরু হয়েছে বুন্দাশলিগা। প্রস্তুতি চলছে লা লিগা ও সিরি এ শুরু করার। ফলে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ইপিএল ফেরার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী লিগ কর্তৃপক্ষ।