শনিবার দুপুরে ইস্টবেঙ্গলের খেলা লুধিয়ানার গুরুনানক স্টেডিয়ামে। এই কথা বোধহয় ভুলে গিয়েছিলেন কোয়েস কর্তারা। তাই শনিবার ভোর রাতে লুধিয়ানা পৌছে দুপুরে মাঠে নামতে হল ফুটবলারদের। যে পেশাদারিত্বের কথা বারবার শোনা যায় লালা হলুদের ইনভেস্টার গ্রুপের কর্তাদের মধ্যে, সেটা বোধয় উধাও হয়ে যেতে বসেছে। টাকা বাঁচাতে গিয়ে দলকে যে লিগের শুরু থেকেই বিপদে ফেলতে চলেছেন ইনভেস্টাররা। যা নিয়ে তুমুল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের মনে। শুক্রবার রাতে দলের ডিফেন্ডার মার্তি ক্রেশপি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন গোটা ঘটনার কথা। দিল্লি স্টেশনে কতটা অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল একশো বছরের উন্মাদয়া ভেসে থাকা একটা ক্লাবের ফুটবল দলকে। ইস্টবেঙ্গলের অনেক সমর্থকেই বোধহয় শনিবার দলের থেকে খুব বেশি কিছু আশা করেননি। তবুও দলকে একটি পয়েন্ট এনে দিলেন ক্লান্ত কোলাডোরা। 

 

 

আরও পড়ুন - মেসির অবসর নিতে আর বেশি দেরি নেই, বলছেন বার্সেলোনা কোচ

মিনার্ভা পাঞ্জারে বিরুদ্ধে খেলা। ক্লান্ত ফুটবলারার নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করলেন। প্রথম দিকে একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন পিন্টুরা। কিন্তু কাজের কাজ করতে পেরননি। খেলা শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে সব থেকে সহজ সুযোগটা মিস করেন কোলাডো। এদকি ১৩ মিনিটে ডানিলোর গোলে এগিয়া যায় পাঞ্জাব এফসি। প্রথমার্ধে গোল শোধ করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার অনেক বেশি দাপট ছিল পাঞ্জাবের। তখনই ক্লান্তির ছবিটা স্পষ্ট কোলাডেদের মধ্যে। শেষে ৮৪ মিনিটে স্বস্তি। হুয়ান মেরা গঞ্জালেজের গোলে একটি পয়েন্ট পেল ইস্টবেঙ্গল। এবার পাহাড় যাত্রা লাল হলুদের। মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গলের খেলা নেরোকা এফসির বিরুদ্ধে। 

 

 

আরও পড়ুন - গোটা দেশে সেলিব্রেশন দেখে ক্ষুব্ধ জোয়ালা গুট্টা, আবার টুইটে সরব তিনি

এদিকে কলকাতার আরেক প্রধান মোহনবাগান মাঠে নামছে রবিবার। ঘরের মাঠে তাদের প্রথম ম্যাচ। খেলা হবে কল্যাণী স্টেডিয়ামের মাঠে। রবিবারের ম্যাচে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ চার্চিল ব্রাদার্স। প্রথম ম্যাচে মোহনবাগান আইজলের ঘরের মাঠে গিয়ে গোলশূন্য ড্র করেছিল। সেখানে চার্চিল ব্রাদার্স ঘরের মাঠে পাঞ্জাব এফসিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল। গোল পেয়েছিলেন উইলিস প্লাজাও। তাই ঘরের মাঠে খেলা হলেও  মোমহনবাগানের কাজটা সহজ হবে না।  

আরও পড়ুন - বিরাটের ব্যাটিং দেখে উচ্ছ্বসিত অমিতাভ বচ্চন, আপনিই অনুপ্রেরণা বললেন বিরাট