লিগের লড়াই থেকে এখনই হারিয়ে যাচ্ছে না তারা। শুক্রবার ঘরের মাঠে সেটাই যেন বোঝালেন লাল হলুদে ফুটবলাররা। কাথা মাঠে দাপুটে জয় না এলেও যেটা পাওয়া গেল সেটা মূল্যবান তিন পয়েন্ট। আর এটাই সব থেকে স্বস্তি দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। ঘরের ছেলে সৌমিক দে’র দলেক ১-০ গোলে হারিয়ে, ৯ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে এখন লিগের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল আলেহান্দ্রোর দল। লিগ শীর্ষে থাকে পিয়ারলেসও দাঁড়িয়ে ১৭ পয়েন্ট। কিন্তু গোল পার্থক্যে অনেকটাই এগিয়ে ক্রোমারা। তার ওপর একটি ম্যাচও কম খেলেছে পিয়ারলেস। তাই লিগে জয়ের স্বপ্ন শেষ না হলেও কাজটা কঠিন। 

আরও পড়ুন - জীবিকা বাঁচানোর লড়াই করছেন বাগানের প্রাক্তন ফুটবলার, মায়া নগরীতে উদয় কোনারের অসম লড়াই

ঘরের মাঠে এদিন ফ্লাড লাইটে ম্যাচ খেললো লাল হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু মাঠের অবস্থা শোচনীয়, ঘাসের নীচে থকথকে কাদায় ভাল ফুটবল আশাও করা যায় না। এদিন আবার মার্কোস মার্টিন ও রোনাল্ডো অলিভিয়েরাকে সামনে রেখে দলের আক্রমণ সাজিয়েছিলেন আলেহানন্দ্রো। কিন্তু অন্য ম্যাচ গুলির মত এদিও দুজনই হতাশ করলেন। রোনাল্ডোকে জবির বিকল্প ভাবা হচ্ছে। কিন্তু ময়দানের অনেকেই বলছেন বিদ্যাসাগারের প্রতি বেশি নজর দিলে হয়তো আরও একটা জবি পাওয়া যেতে পারে। রোনাল্ডো কোনও ভাবেই নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেছেন না। এদিন পেনাল্টিটা যদিও তিনিই আদায় করে দিলেন। আর স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে তিন পয়েন্ট এনে দিলেন মার্কোস মার্টিন। 

আরও পড়ুন - প্রথম ভারতীয় পুরুষ হিসেবে বিশ্ব বক্সিংয়ের ফাইনালে অমিত ফঙ্গল, ব্রোঞ্জ পদক মনিশ কৌশিকের

৯ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট। লাল হলুদের হাতে এখন দুটি ম্যাচ। যার মধ্যে একটি আবার মিনি ডার্বি। ২৬ তারিখ দীপেন্দু বিশ্বাসের দলের বিরুদ্ধে। সাদা কালো ব্রিগেড লাল হলুদের মুখোমুখি হওয়ার আগে ২৩ তারিখ পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে খেলবে। সেই ম্যাচে মহমেডান জিততে পারলে দীপেন্দু বিশ্বাসের দল যেমন লিগের স্বপ্ন দেখতে শুরু করবে, তমনই ইস্টবেঙ্গলও নতুন করে অক্সিজেন পাবে। তাই নিজেদের নিয়ে পরিকল্পনার পাশাপাশি  মহমেডানের দিকও এখন সমান ভাবেই তাকিয়ে থাকেত হবে ইস্টবেঙ্গলকে। তবে লাল হলুদ কোচ ফুটবলারদের ওপর কোনও চাপ দিতে নারাজ। এদিনের ম্যান অব দ্য ম্যাচ সামাদকে চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারটি বলেন, দুটো ম্যাচে তিন পয়েন্টের জন্যই নামবে দল। 

আরও পড়ুন - নিজের রেকর্ড ভেঙেও চতুর্থ মীরাবাই চানু, উজ্জ্বল অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন