করোনা ভাইরাস আগেই থাবা বসিয়েছে ফুটবল বিশ্বে। মারণ ভাইরাসে সংক্রামিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে একাধিক ফুটবলার, কোচ ও ক্লাব কর্মকর্তাদের। বিশ্ব জুড়ে আক্রান্ত রয়েছেন এখনও অসংখ্য ফুটবালর। কোভিড ১৯-এর দাপটে বিশ্ব জুড়ে স্তব্ধ ক্রীড়া জগৎ। কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের জন্য নয়, লকডাউনের জন্য বিনা চিকিৎসায় প্রাণ হারালেন এক ফুটবলার। ট্রেনিং করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন বছর বাইশের এক তরুণ ফুটবলার৷ নাম ইনোকেন্টি সামোখভালভ। লকডাউনে বাড়িতে একা ট্রেনিং করছিলেন লোকোমোটিভ মস্কো দলের ডিফেন্ডার ইনোকেন্তি। সেই সময় হটাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। হার্টফেল করে মৃত্যু হয় তার। প্রাথমিকভাবে অনুমান, লকডাউনের ফলে সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি বলেই মৃত্যু হয়েছে ইনোকেন্তি সামোখভালভের। 

আরও পড়ুনঃলকডাউনে স্মৃতি রোমন্থন,চিনতে পারছেন কারা এই দুজন

ক্লাবের তরফে ফেসবুক পোস্টে তরুণ এই ফুটবলারের মৃত্যুর খবর জানানো হয়৷ পোস্টে লেখা হয়, ‘২০ শে এপ্রিল, কাজাঙ্কার ডিফেন্ডার ইনোকেন্তি সামোখভালভ মারা গিয়েছেন। ফুটবলটারটি একাই প্রশিক্ষণ করার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তার মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক৷ কেশা তৃতীয় শ্রেণিতে আমাদের অ্যাকাডেমিতে এসেছিলেন, রাশিয়ার যুব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন৷ এই মরশুমে তিনি কাজাঙ্কার হয়ে খেলেছেন। সামোখভালভ তাঁর স্ত্রী এবং একটি ছেলে রেখে গিয়েছেন।’ ক্লাবের তরফে আরও জানানো হয়, ‘এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত দুঃখের ব্যাপার। আমরা ওর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানাই। কেশা একজন দয়ালু, সহায়ক ব্যক্তি এবং ভালো বন্ধু ছিলেন।’ক্লাবের রিজার্ভ দল কাজানঙ্কার হয়ে ফুটবল খেলছিলেন, কিন্তু লোকোমোটেভের সিনিয়র স্কোয়াডে জায়গা পাবে বলে আশাবাদী ছিলেন তিনি। রাশিয়ান তৃতীয় বিভাগের কাজঙ্কার প্রধান কোচ আলেকজান্ডার গ্রিশিন সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, ‘এটা অত্যন্ত ভয়াবহ ঘটনা। চিকিত্সকরা আমাদের মৃত্যুর কারণ বলেছেন হার্ট ফেলিওর।’

আরও পড়ুনঃ'ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিলে ওয়াসিম ভাইকে খুন করে দিতাম',বিস্ফোরক মন্তব্য শোয়েব আখতারের

আরও পড়ুনঃলকডাউনে ধোনির জন্য গান বাঁধলেন ব্র্যাভো, নাম এমএস ধোনি নম্বর ৭

তরুণ ফুচবলারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকস্তব্ধ ফুটব বিশ্ব। সকলের মতে করোনা ভাইরাসের প্রত্যক্ষ কারণে না হলেও, করোনা বাইরাসের পরোক্ষ কারণ লকডাউনই ইনোকেন্তি সামোখভালভের মৃত্যুর অন্যতম কারণ। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা গেলে হয়তো তরুণ ফুটবলারকে বাঁচানো যেতো বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।