একটি সমীক্ষা অনুসারে, প্রায় ৪৫ শতাংশ লোকের হার্ট অ্যাটাকের কোনও লক্ষণ নেই। কিন্তু নীরবেই প্রাণ কেড়ে নেয় এই রোগ। এমন অবস্থাকে বলা হয় সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক।  

অনেক সময় সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক হয়ে ওঠে প্রাণঘাতী। যা অনেক সময় চিনাও যায় না। হালকা বুকে ব্যথা বা হঠাৎ শ্বাসকষ্টের সমস্যাকে মানুষ সাধারণ বিষয় হিসেবে উপেক্ষা করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, প্রায় ৪৫ শতাংশ লোকের হার্ট অ্যাটাকের কোনও লক্ষণ নেই। কিন্তু নীরবেই প্রাণ কেড়ে নেয় এই রোগ। এমন অবস্থাকে বলা হয় সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক। 

নাম থেকে বোঝা যায়, নীরব মানে এই আক্রমণটি কোনও লক্ষণ ছাড়াই নীরবে আসে। এই হার্ট অ্যাটাক আরও বিপজ্জনক। এতে অনেক সময় প্রথম হার্ট অ্যাটাক ধরা পড়ে না এবং মানুষ চিকিৎসা পান না, এরপর দ্বিতীয় অ্যাটাক খুবই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। আসুন জেনে নিই কিভাবে সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক শনাক্ত করা যায় এবং কিভাবে এড়ানো যায়।

সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ
যদি কেউ সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে, তাহলে এমন ব্যক্তি বুকে ব্যথার বদলে জ্বালাপোড়া অনুভব করেন। এর পাশাপাশি দুর্বলতা ও ক্লান্তিও অনুভূত হয়। অনেক সময় এটাকে আক্রমণের বদলে অ্যাসিডিটি, বদহজম, ডিহাইড্রেশন, ক্লান্তির কারণ বলে মনে করেন মানুষ। একটি নীরব হার্ট অ্যাটাক কখনও কখনও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যখন হার্টে রক্ত ​​​​সরবরাহ কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। বেশিরভাগ মানুষ নীরব হার্ট অ্যাটাকের আগে এবং পরে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বোধ করেন। তবে এর কারণে দ্বিতীয় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নীরব হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা 
আপনার যদি এমন কোনও সমস্যা হয়ে থাকে বা তার সম্মুখীন হয়ে থাকেন এবং আপনি অনুভব করছেন যে এটি নীরব হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল কিনা। তাই এর জন্য আপনি ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম এবং ইকোকার্ডিওগ্রাম পরীক্ষা করাতে পারেন। এর সাহায্যে হার্টের পরিবর্তন শনাক্ত করা যায়। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট, বাইপাস সার্জারির মতো চিকিৎসা করা হয়।

আরও পড়ুন- স্যানিটারি প্যাডের ভুল ব্যবহারে যোনিপথে হতে পারে সংক্রমণ, জেনে নিন বিশেষজ্ঞের মত

আরও পড়ুন- মহিলাদের প্যান্টিতে ব্লিচের মত ছোপ দেখা যায়, কেন এমনটা হয় জেনে নিন কারণ

আরও পড়ুন- দুর্দান্ত ভাবে এই কাজগুলিতে ব্যবহার করা যায় বাদামের খোসা

কীভাবে নীরব হার্ট অ্যাটাক এড়ানো যায় 
যদি কখনো মনে হয় বদহজম বা অ্যাসিডিটির কারণে কোনও সমস্যা হচ্ছে, তাহলেও একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঘরোয়া প্রতিকার এড়িয়ে চলুন।
আপনি যদি হার্টের রোগী হন তবে আপনার খাবারের যত্ন নিন। পুষ্টি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান।
বিপির সমস্যা থাকলে নিয়মিত পরীক্ষা করতে থাকুন এবং ওষুধ খেতে থাকুন। 
প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। এর ফলে শরীর ও সমস্ত অঙ্গ সক্রিয় হয়ে ওঠে। আর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।
ধূমপান এবং অ্যালকোহল এবং সিগারেটের মতো নেশা জাতীয় দ্রব্যের অভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।