সাইনাস দেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। শরীরের এই অঙ্গ মূলত বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। নাকের হাড় বাঁকা থাকলে এই সমস্যা হয়। আবার অ্যালার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়। এক্স-রে করলে সাইনাসের অঞ্চলটি ঘোলাটে দেখালেই চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন এই সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে মাথাব্যথা মানেই সাইনোসাইটিস নয়। সাইনোসাইটিসের ব্যথাটা একটু আলাদা ধরনের। অন্যান্য ব্যথার থেকে সহজেই আলাদা করা যায় সাইনোসাইটিসকে। 

আরও পড়ুন- কিডনিতে পাথরের সমস্যা, জেনে নিন এর কারণ ও প্রাথমিক লক্ষণগুলি

এই সমস্যায় সারাক্ষণ মাথায় অস্বস্তি, নাকের ভিতরে ভারী লাগা-সহ আরও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে সাইনোসাইটিস। মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া যে ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে তাকে সাইনাস বলা হয়। যখন সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা শুরু হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া প্রতিকার। ধুলোবালি, সিগারেটের ধোয়া, যে কোনও ধরণের স্প্রে থেকে দূরে থাকুন। এই ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে সাইনোসাইটিস সমস্যা বৃদ্ধি করে। তাই যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা বাইরে বেরোলেই মাস্ক ব্যবহার করুন। 

আরও পড়ুন- আপনার পিঠেরও একই অবস্থা, আজ থেকে ব্যবহার করুন এই অব্যর্থ টোটকা

সাইনোসাইটিস সমস্যা দারুন কার্যকর গরম জলের ভাপ। এরফলে সহজেই শ্লেষ্মা বেরিয়ে যায়। তাই গরম জলতে সামান্য় লবন মিশিয়ে দিনে দু বার করে ভাপ নিলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। এর সঙ্গে প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খেলেও সাইনোসাইটিস সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। বাড়ির বাইরে এই সমস্যা দেখা দিলে কিছুক্ষণ পর পর চিনি ছাড়া গরম চা, কফি বা স্যুপ খাওয়ার চেষ্টা করুন। গরম তরল ধরণের পানীয় শ্লেষ্মা পাতলা করে দেয় এবং সহজে তা পরিষ্কার হয়ে যায়। সাইনোসাইটিসের সমস্যা হলে প্রচুর পরিমানে জল পান করুন। জল খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে আসে। ফলে তা  ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে। তাই সাইনোসাইটিসের সমস্যা দেখা গেলে সারাদিন প্রচুর জল পান করতে থাকুন।