দেশের গণতন্ত্রের পীঠস্থানে ফের করোনার হামলা রাজ্যসভার অন্দরে এবার ঢুকল মারণ ভাইরস সংক্রমণের শিকার সচিবালয়ের এক আধিকারিক তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের কোভিড পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ

রাজা-উজির থেকে প্রজা, কাউকেই রেয়াত করছে না মারণ করোনাভাইরাস। বিদেশের একাধিক নেতা-মন্ত্রী আক্রান্ত হয়েছেন কোভিড ১৯ রোগে। ভারতেও প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এদেরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের শরীরেও। এর মধ্যেই ফের একবার দেশের গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদভবনে করোনাভাইরাসের আক্রমণের খবর পাওয়া গেল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এবার একাবের রাজ্যসভার অন্দরে ঠুকে পড়েছে নোভেল করোনাভাইরাস। রাজ্যসভার সচিবালয়ের এক আধিকারিকের শরীরে মিলেছে মারণ ভাইরাসের অস্তিত্ব। উদ্বেগ বাড়িয়ে জানা যাচ্ছে ওই আধিকারিকের স্ত্রী এবং সন্তানরাও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবারই গোটা পরিবারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর পরেই রাজ্যসভার সচিবালয়ের বাকি আধিকারিকদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সংসদ ভবনের অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের দুটি তলা পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হয়। গোটা অফিস স্যানিটাইজ করার কাজও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

Scroll to load tweet…

এদিকে রাজ্যসভার সচিবালয়ের আধিকারিকের করোনা সংক্রমণের খবর জানানজানি হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই আধিকারিকের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের ইতিমধ্যে আইসোলেশনে পাঠান হয়েছে। অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের কর্মীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

রেকর্ড গড়ে দেশে একদিনে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৭ হাজার, বিশ্বের ক্রমতালিকায় ৯ নম্বরে উঠে গেল ভারত

মারণ ভাইরাসের থাবায় এবার পদ্ম শিবিরের হাইপ্রোফাইল নেতা, হাসপাতালে ভর্তি বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র

আমেরিকায় মৃত্যু মিছিল ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল, এবার সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

জানা যাচ্ছে করোনা আক্রান্ত ওই সরকারি আধিকারিক গত ১২ মে পর্যন্ত অফিস করেন। সংসদ ভবন থেকে ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের ছ’তলায় বসতেন তিনি। সেখানেই রয়েছে বেশিরভাগ আধিকারিকদের দফতর। অধিকাংশ সরকারি বৈঠকেও অ্যানেক্স ভবনেই আয়োজন করা হয়। 

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও সংসদভবনের আধিকারিকদের মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। গত সপ্তাহেই সংক্রমণের শিকার হয়েছিলেন সংসদের সম্পাদকীয় ও অনুবাদ পরিষেবায় কর্মরত এক উর্দ্ধতন আধিকারিক। তারআগে গত এপ্রিলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন সংসদের এক সাফাইকর্মী। 

লকডাউন ২ শেষ হওয়ার পর গত ৩ মে এক তৃতীয়ংশ কর্মী নিয়ে খোলা হয়েছে সংসদ। এদিকে গত ২৩ মার্চ বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সংসদে আর নতুন করে কোনও অধিবেশন বসেনি। এর আগে রাষ্ট্রপতি ভবনেও করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটে। এক সাফাইকর্মীর শরীরে মারণ ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল।