গালওয়ানে দুই মেজরসহ ১০ ভারতীয় জওয়ানকে আটক করেছিল চিনা পিপিলস লিবারেশন আর্মি। কথাবার্তার পর শুক্রবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু দু দিন যেতে না যেতেই এল অন্য খবর। সূত্রের খবর ভারতীয় সেনাও চিনা সেনাদের হেফাজতে নিয়েছিল। যা সংখ্যা ভারতীয় সেনার তুলনায় অনেকটাই বেশি। ভারতের ১০ সেনা জওয়ানকে আটকের পরিবর্তে ভারতে চিনের ১৫ সেনাকে আটক করেছিল। যার মধ্য়ে ছিল  মেজর পদমর্যাদার এক সেনা আধিকারিক। দীর্ঘ কথাবার্তার পর চিনা সেনাদের মুক্ত করে দেওয়া হয়। 

সোমবার রাতে লাদাখে ভারত ও চিনা সেনা এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অবতীর্ণ হয়। আর সেই সংঘর্ষের ভারতীয় সেনাদের ওপর রীতিমত বর্বর অত্যাচার করে চিন। ২০ ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যু হয়। বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে এই সংঘর্ষে চিনের প্রায় ৪০ সৈন্য জখম ও নিহত হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি বেজিং। ৪৫ বছরে ভারত চিন নিয়ন্ত্রণ রেখায় এটাই ছিল সব থেকে বড় সংঘর্ষ। 

চিনাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মৃত্য কর্নেলের, সোমবার রাতের অন্ধকারে কী হয়েছিল গালওয়ানে ...

মার্কিন ভোট প্রচারেও কি উঠবে ভারত-চিন সমস্যা, সমাধানে আগ্রহী বললেন ট্রাম্প ...

প্রতিপক্ষকে জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ, লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা রাজনাথের ...

ভাতীয় সেনা সূত্রের খবর সংঘর্ষের সময় ভারতীয় ও চিনা সেনার অনুপাত ছিস ১.৫।১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টকে সাহায্য করতে এগিয়ে গিয়েছে পঞ্জব রেজিমেন্টও। সূত্রের খবর সেই রাতে প্রায় ৩০০ সৈন্য সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।  চিনা থার্মাল ইমোজিং ড্রোনের মাধ্যমে রাতের অন্ধকারে ভারতীয় সেনাদের চিহ্নিত করে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। 

এই ঘটনার পর থেকেই কূটনৈতিক স্তরে দুই দেশ আলোচনা চালিয়েছে। তবে রবিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং তিন বাহিনীর প্রধান ও চিন ডিফেন্স স্টাফের সঙ্গে আলোচনা করেন। লাদাখ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখেন। সূত্রের খবর ওই বৈঠকেই সীমান্ত নিয়ে স্থান  কাল পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেনাকেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।