জম্মু ও কাশ্মাীরে আত্মঘাতী এক কিশোর। সেনাদের অত্যাচারের জেরেই আত্মঘাতী হয়েছে ওই কিশোর- এমনটাই অভিযোগ তার পরিবারের তরফে। এদিন আত্মঘাতী যুবকের বাড়ি পুলওয়ামায়। এদিন তার পরিবারের সদস্যরা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, সেনা শিবিরে ভারতীয় সেনাদের হাতে মার খাওয়ার পর ওই কিশোর আত্মহত্যা করে বলে জানা গিয়েছে। 

মৃতের পরিবারের তরফে আরও জানা যায়, সারা দিন ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনী তাকে আটকে রেখেছিল এবং তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এই ভয়ানক অভিজ্ঞতা কোনও কারণে ভুলতে পারছিল না ওই যুবক। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে পনের বছরের ইয়াওয়ারা আহমেদ। 

প্রসঙ্গত এই মর্মান্তিক ঘটনার কয়েকদিন আগেই তাহাব গ্রামের কাছে একটি সেনা শিবিরে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর তরফে যাদের আটক করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে ইয়াওয়ারাও ছিল। এরপর তাকে প্রচণ্ড মারধর করে সেনাবাহিনী। তবে তাকে মুক্তি দেওয়ার আগে সেনারা তার পরিচয়পত্রও ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। তবে এই ঘটনার কথা তার পরিবারকে বলেইনি দশম শ্রেণীর এই ছাত্র। বিষয়টি নয়ে মানসিকভাবে যথেষ্ট বিধ্বস্ত ছিল সে- এমনটাই জানিয়েছে মৃতের দিদি। এরপর মঙ্গলবার গভীর রাতে বিষ খায় সে। পরিবারের তরফে তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তার  অবস্থা ক্রমেই অবণতি ঘটতে থাকে। অবশেষে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

আরও পড়ুন- হিউস্টনে প্রধানমন্ত্রী, এক ঝাঁক অনাবাসী ভারতীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন মোদীকে

আরও পড়ুন- সন্ত্রাসবাদে অস্ত্র যোগানের অভিযোগ, দক্ষিণ কাশ্মীরে পুলিশের জালে দুই জইশ জঙ্গি

আরও পড়ুন- বাম্পার লটারিতে খুলে গেল ভাগ্য, রাতারাতি ১২ কোটি টাকার মালিক সোনার দোকানের ৬ কর্মচারী

সাত ভাইবোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিল ইয়াওয়ার , আর সেই কারণে শারীরিকভাবেও খুব দুর্বল ছিল সে। অতীতে সেনা শিবিরে এই ধরণের কোনও পরিস্থিতির সম্মুখীনও হয়নি বলে জানিয়েছেন মৃতের বাবা আবদুল আহমেদ। যদিও এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে ছেলেটি আত্মঘাতী তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হবে।