ট্র্যাফিক সিগন্যালে বাইক থামতেই ল্যাপটপ খুলে কাজ শুরু করে দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই ভারতের 'ওয়ার্ক কালচার' এবং নষ্ট হতে বসা 'ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স' নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ভিডিও নিয়ে খুব চর্চা হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি ট্র্যাফিক সিগন্যালে বাইকে বসেই ল্যাপটপ খুলে কাজ করছেন। এই ঘটনা ভারতের ক্রমবর্ধমান 'ওয়ার্ক কালচার' এবং দীর্ঘ অফিসের সময়ের চাপ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ক্লিপটিতে দেখা যাচ্ছে, ট্র্যাফিক সিগন্যালে গাড়িঘোড়া থামতেই এক ব্যক্তি তাঁর ল্যাপটপ বের করে নেন। ফোনে সময় কাটানো বা একটু জিরিয়ে নেওয়ার বদলে তিনি অফিসের কাজেই মন দেন। ভিডিওর সাথে দেওয়া ক্যাপশন অনুযায়ী, সিগন্যালটি মাত্র পাঁচ মিনিটের ছিল, কিন্তু সেই সময়টুকুও তিনি কাজ করে কাটিয়েছেন।

Scroll to load tweet…

ভিডিওটির সাথে পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, আট ঘণ্টা কাজ করার পরেও ওই ব্যক্তির অফিসের কাজ বাকি ছিল, যা তিনি বাড়ি ফেরার পথে করছিলেন। এমনকি, বাড়ি ফিরেও তিনি সম্ভবত কাজ চালিয়ে যাবেন। এই ভিডিও দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কর্মীদের কি সুস্থতার সীমা ছাড়িয়ে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে?

এই ভাইরাল ক্লিপটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ ওই ব্যক্তির কাজের প্রতি নিষ্ঠা আর দায়বদ্ধতার প্রশংসা করেছেন। আবার অনেকের মতে, এই ভিডিওটা একটা অশনি সংকেত। এটা দেখিয়ে দিচ্ছে যে কীভাবে কাজ আমাদের জীবনকে পুরোপুরি গ্রাস করে ফেলছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, অফিসের সময় শেষ হওয়ার পরেও কর্মীদের আজকাল দীর্ঘক্ষণ অনলাইনে থাকতে হয়, যার ফলে বিশ্রাম বা ব্যক্তিগত জীবনের জন্য প্রায় কোনও সময়ই থাকছে না।