লাদাখ সমস্যা এখনও মেটেনি। কিন্তু সীমান্ত সুরক্ষায় ঢিলে দিতে নারাজ কেন্দ্রীয় সরকার। সীমান্ত সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে শক্তপোক্ত রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবার তাতে আরও গতি আনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ভারত-চিন সীমান্তবর্তী এলাকায় মুন্সিয়ারি-বুগদিয়ার-মিলাম রাস্তাটি নির্মানের জন্য আবারও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় যাতায়াতের গতি বাড়াতে উত্তরাখণ্ডের জোহর উপত্য়াকায় শক্তপোক্ত রাস্তা তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই সড়ক নির্মানের যন্ত্রপাতি অবতরণ করতে শুরু করেছে বলে জানিয়ছে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের এক কর্তা। 

২০১২ সালে ইউপিএ আমলেই এই রাস্তা নির্মানের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। বরাদ্দ হয়েছিল ৩২৫ কোটি টাকা।  ২০১৯ সালে একাধিকবার প্রচেষ্টা চালিয়েও সফল হয়নি ভারত। সম্প্রতি হেলিকপ্টার যোগে ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর সড়ক নির্মানের কাড তাড়াতাড়ি শেষ হবে বলেও আশা করা যাচ্ছে বলে সূত্রের খবর। 

কংগ্রেসের রিসর্ট রাজনীতি রাজস্থানে, বিধায়ক কিনতে নাকি '২৫ কোটি'র প্রস্তাব বিজেপির ..
৫৬ কিলোমিটারের এই রাস্তাটি তৈরি হচ্ছিল। কিন্তু লাসপাতের কাছে ভারী পাথর কাটার সরঞ্জাম না থাকায় কাজ আটকে গিয়েছিল। চলতি মাসেই হেলিকপ্টার দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাস্তা তৈরির ভারী সরঞ্জাম।  এটি পিথরাগড় জেলায় অবস্থিত। এখান থেকে খুবই কাছে ভারত-চিন সীমান্তের শেষ চেকপোস্ট। উঁচু হিমালয় অনেকটা উঁচু এলাকায় জোহর উপত্যকা। আর এই রাস্তাটি তৈরি হলে তা লিঙ্ক রোড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছে নিরাপত্তা আধিকারিকরা। 

'টার্গেট বাংলা' বণিক সভার মিটিংও কলাকাতার প্রসঙ্গ, তিন 'পি'তে জোর দিলেন মোদী ...

ইতিমধ্যেই সীমান্তবর্তী এই রাস্তার ৪০ কিলোমিটার এলাকার পাথর কাটার কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েগিয়েছে।  কিন্তু রীতিমত শক্ত হওয়ায় ২২ কিলোমিটার এলাকার কাজ খুব ধীর গতিতে সম্পন্ন হবে বলে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের তরফ থেকে জানান হয়েছে। কিন্তু রাস্তার তৈরির কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে ভারী যানবাহন চলাচলে কোনও সমস্যা থাকবে না বলেও সূত্রের তরফে দাবি করা হয়েছে। 

করোনা মহামারী ভারতে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণের আকার নেয়নি , চরম সময় আশ্বাস দিল কেন্দ্র ...