- Home
- India News
- Pak sugar in India: এবার পাকিস্তানের চিনি খাবেন ভারতীয়রা! শুল্কমুক্ত আমদানির পথ খুলতেই বড় পদক্ষেপ ইসলামাবাদের
Pak sugar in India: এবার পাকিস্তানের চিনি খাবেন ভারতীয়রা! শুল্কমুক্ত আমদানির পথ খুলতেই বড় পদক্ষেপ ইসলামাবাদের
Pak sugar in India: হঠাৎ করে ১২ দিনের মধ্যে আকাশছোঁয়া চিনির দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এতদিন বিদেশ থেকে ভারত চিনি সরবরাহ না করলেও চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত চিনি আমদানিতে শুল্কমুক্ত পথ খুলে দিয়েছে। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

চিনির আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ
ভারতে চিনির আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্র সরকার কাঁচা চিনি আমদানির ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করার পরেই নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। কূটনৈতিক তিক্ততা এবং সরাসরি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য কার্যত বন্ধ থাকা সত্ত্বেও, ভারতের বাজারে নিজেদের উদ্বৃত্ত চিনি রপ্তানি করার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের চিনি কল মালিকরা।

অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বাড়াতে উদ্যোগী ভারত সরকার
জানা গিয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরসুম শুরুর আগে অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বাড়াতে এবং মূল্যবৃদ্ধি রুখতে ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত 'ট্যারিফ রেট কোটা' (TRQ)-র আওতায় ১০ লাখ মেট্রিক টন কাঁচা চিনি শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দিয়েছে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতর (DGFT)। এই সিদ্ধান্তের পরেই ইসলামাবাদকে ভারতের বাজারে চিনি রফতানির পথ খোঁজার আর্জি জানিয়েছে পাকিস্তান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশন (PSMA)।
কেন ভারতীয় বাজারে আগ্রহী পাকিস্তান?
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাক চিনি শিল্প বর্তমানে গভীর আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। পাকিস্তানের চিনি কল মালিকদের এই সিদ্ধান্তের পেছনে- পাকিস্তানে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ টনেরও বেশি উদ্বৃত্ত চিনি মজুত রয়েছে। নতুন ফসল ওঠার আগে এই মজুত খালি না করতে পারলে আখচাষিদের পাওনা মেটানো এবং নতুন আখ কেনা কঠিন হয়ে পড়বে।
ভারতে চিনি পাঠালে পরিবহণ খরচ কমবে পাকিস্তানের
ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে দূরবর্তী দেশগুলোর তুলনায় ভারতে পণ্য পাঠানো অনেক বেশি সাশ্রয়ী। এতে পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের ফ্রেইট বা পরিবহণ খরচ অনেকটাই বাঁচবে।
ভারতে চিনি রফতানি করলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন পাকিস্তানের
ভারতে চিনি বিক্রি করতে পারলে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে এবং মিলগুলির আর্থিক তারল্য (liquidity) বৃদ্ধি পাবে। যদিও পাকিস্তানের মিল মালিকরা আশার আলো দেখলেও বাস্তবে এই চিনি ভারতে পৌঁছানো সহজ নয়। কারণ, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরিস্থিতি।

