জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্কের অবসানের পথে আগেউ এগিয়েছিল কাশ্মীর। এরপর থেকে বারবার বিভিন্ন সময়ে ভারতকে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান। এমনকি প্রকাশ্যে পারমাণবিক যুদ্ধের বার্তাও দিয়েছে পাকিস্তানের বহু মন্ত্রী। 

আর এবার প্রশাসনিক সূত্রে খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকার বাঘ ও কোটলি সেক্টরের কাছে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি পাক সেনা সম্বলিত একটি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। পাক সেনাদের গতিবিধির ওপর ভারতীয় সেনার তরফে কড়া নজর রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত পাক সেনাবাহিনীর তরফে কোনও আপত্তিকর অবস্থান গ্রহণ করা হয়নি। 

সূত্রের খবর, নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরত্বে এই বিপুল সংখ্যক পাক সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হলেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে তীক্ষ্ণ নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে খবর। প্রসঙ্গত, ফের পাকিস্তানে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তইবা-র মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি। মনে করা হচ্ছে কুখ্যাত এই জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে পাকিস্তান। 

রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর, ২০২২ সালের মধ্যে আসতে চলেছে ৪০টি নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

দিতে হবে প্রাপ্য অধিকার, শিক্ষক দিবসের দিনেই পথে নেমে আন্দোলনের ডাক

উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জের, বন্ধ রাখা হবে চিংড়িহাটা ফ্লাইওভার

জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তইবা-র মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির সদস্যরা পাক সেনাবাহিনীর এসএসজি কমান্ডোদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই লঞ্চ প্যাডের দিকে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়েছে।  সূত্রের তরফে আরও জানা গিয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির প্রশিক্ষণ শিবিরও গড়ে তুলছে বলেও খবর। আর এইসব জঙ্গিশিবির গুলির নেতৃত্ব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী এই শিবিরগুলির নেতৃত্ব দিচ্ছে জামাত-ই-ইসলামি, এবং এর সঙ্গে রয়েছে জইশ-ই-মহম্মদ, হিজবুল মুজাহিদিন এবং লস্কর-ই-তইবা।