নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী জঙ্গি সংগঠন খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্সের একটি মডিউল পঞ্জাব ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের একাধিক এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাসবাদী হামলার ছক কষছিল বলে খবর। এর ভিত্তিতেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্সের একটা ঘাঁটি।  সন্ত্রাসবাদী হামলার ছকে মদত দিতে পাকিস্তান থেকে ড্রোনে করে অস্ত্র আসত এদের কাছে। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। 

রাজ্য পুলিশের তরফে একটি অভিযান চালিয়ে দেখা গিয়েছে, তার্ন তারান জেলায় চারজন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেইসঙ্গে উদ্ধার হয়েছে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র, যার মধ্যে রয়েছে, পাঁচটি একে -৪৭ পিস্তল, স্যাটেলাইট ফোন, হ্যান্ড গ্রেনেড-সহ বিপুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে দশ লক্ষ টাকারও বেশি পরিমাণে  জাল নোট এবং ৫০০ রাউন্ড গুলিও।  

এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারির রবিবার সাংবাদিকদের জানান,  আইএসআই ও পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষক জিহাদি এবং খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাস সংগঠনগুলি একটি অভিযান চালিয়ে ড্রোনের সাহায্যে ভারত-পাক সীমান্ত পেরিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি পাচার করত বলে মনে করা হচ্ছে।  পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং এই ঘটনার যাবতীয় তদন্তের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন, এনআইএ বা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর। 

আরও পড়ুন- ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রলের দাম, সোমবার নয়া দিল্লিতে এক ধাক্কায় বেড়ে হল ৭৩.৯১ টাকা

আরও পড়ুন- 'হাউডি মোদী' অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠে প্রধানমন্ত্রী, জিতে নিলেন কয়েক হাজার হৃদয়

আরও পড়ুন- হিউস্টনে প্রধানমন্ত্রী, এক ঝাঁক অনাবাসী ভারতীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন মোদীকে

আরও পড়ুন- দেউলিয়া ১৭৮ বছরের পুরনো ট্রাভেল এজেন্সি থমাস কুক, চাকরিহারা ২১,০০ কর্মচারী, বিশ্বজুড়ে আটকে ৬ লক্ষ পর্যটক

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী ভারতীয় বায়ুসেনা এবং সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী তথা বিএসএফ-এর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেকোনও ধরণের হুমকি প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা যেন তাদের তরফে নেওয়া হয়। পাশাপাশি বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ আইন, অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক পদার্থ আইন, কারাগার আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারাগুলির অধিনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।