Flash Floods: বুধবার সকালে তিব্বত (Tibet) ও নেপালে (Nepal) ভয়াবহ হড়পা বানের জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েকশো মানুষ নিখোঁজ। অনেক বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট, সেতুও ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নেপাল ও তিব্বতে যাওয়া অনেক ভারতীয় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
উদ্ধারকার্যে সমস্যা
তিব্বত ও নেপালে হড়পা বানের পর উদ্ধারকার্য শুরু হলেও, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সমস্যায় পড়েছেন।

Sadhguru Jaggi Vasudev: তিব্বতে (Tibet Flash Floods) কৈলাশে তীর্থযাত্রায় (Kailash pilgrimage group) গিয়ে হড়পা বানের জেরে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন ৭৭ জন তীর্থযাত্রী। এমনই জানিয়েছেন ঈশা ফাউন্ডেশনের (Isha Foundation) প্রতিষ্ঠাতা ও আধ্যাত্মিক গুরু সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব। তিনি ‘এক্স’ হ্যান্ডলে পোস্ট করে জানিয়েছেন, তাঁর পরিচালিত কৈলাশ তীর্থযাত্রার একটি দলের ৭৭ জন তীর্থযাত্রী তিব্বতের গিরিয়ংয়ের একটি অভিবাসন কেন্দ্রে আটকে ছিলেন। সেই সময়েই ভয়াবহ হড়পা বান সেই শহরে আছড়ে পড়ে। কৈলাশ তীর্থযাত্রা শেষে ফেরার পথে ওই দলটি অভিবাসন দফতরে অপেক্ষা করছিল। সেই সময় আচমকা সেখানে বানের জল ঢুকে পড়ে। এতে অভিবাসন ভবন এবং সীমান্ত শহরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়।

তীর্থযাত্রীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন সদগুরু

সদগুরু আরও জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দল পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলেও ওই কেন্দ্রে থাকা তীর্থযাত্রীদের অবস্থা বা অবস্থান সম্পর্কে এখনও সরকারিভাবে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপাল-তিব্বত সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ হড়পা বান ও ভূমিধসের মধ্যে উদ্ধারকাজ চলছে। স্বেচ্ছাসেবক ও সহায়তা দলগুলি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে। ঝুঁকি থাকলেও উদ্ধারকাজে অংশ নিতে তাঁর দল প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন সদগুরু। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কৈলাশ তীর্থযাত্রায় যাওয়া ২১টি দলের মধ্যে ৪৯৫ জন ইতিমধ্যেই নিরাপদে ফিরে এসেছেন। ৭৪৩ জন এখন তিব্বতে আছেন। ১৪৮ জন নেপালে (Nepal) আছেন। ৭৭ জন গিরিয়ংয়ের অভিবাসন কেন্দ্রে ছিলেন। তিনজন স্বেচ্ছাসেবক নেপালের তিমুরেতে আছেন।

তিব্বতের হড়পা বানে প্লাবিত নেপালও

তিব্বত থেকে হড়পা বান নেমে নেপালের পার্বত্য রাসুওয়া জেলাতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নেপাল ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু গ্রাম ও পরিকাঠামো প্রকল্পের অঞ্চল ভেসে গিয়েছে। নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ৩৮৪ জনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ভোতে কোশি নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী-সহ উদ্ধার ও ত্রাণ দল দুর্গত অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটায় গিরিয়ং পোর্ট অঞ্চলে ভূমিধস নেমে আসে। এতে হতাহত ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। বন্যা ও ভূমিধসের কারণে চিনের দিক থেকে গিরিয়ং পোর্টে যাওয়ার রাস্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।