উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদে মোটরসাইকেলে ধাক্কা মারে শ্রীকেশ কুমারকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। 

বাংলা একটা প্রবাদ আছে সেটা আমরা সকলেই জানি যে জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। কিন্তু সেই প্রবাদ যে এমন সত্যি প্রমাণ হবে তাও আবার সুদূর উত্তর প্রদেশে (Uttar Pradesh) তাই বা জানত। ঘটনাট অলৌকিকও বটে। উত্তর প্রদেশের পথ দুর্ঘটনায় (Accident) এক ব্যক্তি জখম হয়েছিল। ৪৫ বছরের সেই ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মৃত্যু হওয়ার সেই ব্যক্তিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় হাসপাতালের মর্গে (Hospital Morgue)। প্রায় ৬ ঘণ্টা সেই ব্যক্তিকে রাখা ছিল মর্গের ফ্রিজারে। এ পর্যস্ত সব ঠিকই ছিল। আসল ঘটনা ঘটে রবিবার সকালে। এদিন মৃতের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে দেহ নিতে আসে। সেই সময়ই মর্গে যখন পরিবারের সামনে দেহ বার করা হয় তখন দেখা যায় সেই ব্যক্তি জীবন্ত রয়েছে। যা দেখে চক্ষু চড়ক গাছে ওঠে সেই ব্যক্তির পরিবারের। কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদে মোটরসাইকেলে ধাক্কা মারে শ্রীকেশ কুমারকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই শ্রীকেশকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সরকারি হাসপাতালের মর্গের ফ্রিজারেই দেহ শ্রীকেশকে রেখে দেওয়া হয় রাতভর। 

Mysterious Man: ৫০ বছর পরেও রহস্যময় নাম ডিবি কুপার, মার্কিন ইতিহাসে অমীমাংসিত প্লেন হাইজ্যাককাণ্ড

TMC Protest: ত্রিপুরা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সোমবার থেকে দিল্লিতে ধর্না তৃণমূল সাংসদদের

Viral Video: রাস্তা থেকে রাশি রাশি মার্কিন ডলার তোলার হিড়িক, ভিডিও পোস্ট করে প্রশ্ন আপনি হলে কী করতেন

হাসপাতালের সুপার রাজেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শ্রীকেশকে পরীক্ষা করেছিল। তাঁর মধ্যে প্রাণের কোনও লক্ষণ দেখতে পাননি। সেই কারণেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। চিকিৎসক জানিয়েছেন পুলিশকেও বিষয়টি জানান হয়েছিল। শ্রীকেশের পরিবার না আসা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টা দেহ রাখা ছিল হাসপাতালের মর্গে। যখন পুলিশের একটি দল ও শ্রীকেশের পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্তের জন্য কাগজপত্র নিয়ে আসে তখনই দেখা যায় সেই ব্যক্তি জীবিত রয়েছে। 

হাসপাতাল সুপার জানিয়েছেন ৪৫ বছরের শ্রীকেশ দুর্ঘটনার পর কোমায় ছিলেন। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। গোটা ঘটনাটিকে তিনি অলৌকিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন ডাক্তাররা কী করে একজন জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করল তাও তদন্ত করে দেখা হবে। 

তবে এই দেশে এজাতীয় ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৮ সালে মধ্য প্রদেশের একটি সরকারি হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করার সময় ২৪ বছরের এক তরুণ বেঁচে ওঠে। পরে জানা যায় তরুণের মস্তিস্কের মৃত্যু হয়েছে। পরবর্তীকালে সেই ব্যক্তি তার সমস্ত চেতনাও ফিরে পেয়েছিল।

YouTube video player