Uttarakhand Glacier Break: উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় বড় উদ্বেগ বাড়াল হিমবাহ ভাঙনের ঘটনা। রবিবার সকালে কাঞ্চন গঙ্গা এলাকার উপরের অংশে একটি বৃহৎ হিমবাহের অংশ ভেঙে পড়ে। এর জেরে এলাকায় তুষারঝড় বা হিমস্রোতের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Uttarakhand Glacier Break: উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় বড় উদ্বেগ বাড়াল হিমবাহ ভাঙনের ঘটনা। রবিবার সকালে কাঞ্চন গঙ্গা এলাকার উপরের অংশে একটি বৃহৎ হিমবাহের অংশ ভেঙে পড়ে। এর জেরে এলাকায় তুষারঝড় বা হিমস্রোতের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলটি পবিত্র বদ্রীনাথ ধামের উপরের পার্বত্য অঞ্চলের খুব কাছাকাছি হওয়ায় প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নজরদারি আরও বাড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হিমবাহ ভেঙে পড়ার পর বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও শিলাখণ্ড পাহাড় থেকে নেমে আসতে শুরু করে। অনেক জায়গায় বড় বড় পাথর ভেঙে বাতাসে ছিটকে যেতে দেখা যায়। প্রবল গতির বরফ ও ধ্বংসাবশেষের কারণে উচ্চ হিমালয় অঞ্চলে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বারবার বিপর্যয় চামোলিতে

তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি বা ধ্বংসের বিষয়েও সরকারি ভাবে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি। প্রশাসন এবং পর্যবেক্ষক দল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে বলে জানা গিয়েছে। প্রয়োজন হলে উদ্ধারকারী দলকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চামোলি জেলা অতীতেও হিমবাহ ভাঙন, ভূমিধস এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাক্ষী থেকেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হিমালয় অঞ্চলে দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নের প্রভাব হিমবাহের স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করে তুলছে। এর ফলে বরফ গলা, হিমবাহ সরে যাওয়া এবং হঠাৎ ভেঙে পড়ার মতো ঘটনা বাড়ছে।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

কী কারণে এমনটা হচ্ছে

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে উত্তরাখণ্ডের পার্বত্য এলাকায় এই ধরনের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। হিমালয়ের ভঙ্গুর পরিবেশগত ভারসাম্য বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন এলাকায় বাস্তব পরিস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করছে। বদ্রীনাথগামী পর্যটক ও পুণ্যার্থীদের সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের মত, পরিস্থিতি এখনই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলা যাচ্ছে না এবং আগামী কয়েকদিন ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপাতত প্রাণহানির আশঙ্কা নেই বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।