ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছিল শরীর। বেগতিক বুঝে রবিবারই হোম কোয়ারান্টাইন থেকে হাসাপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে। বিকেলের দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা আইসিইউতে দেওয়া হল বরিস জনসনকে।

নিয়ন্ত্রণে আসছে না সংক্রমণ, ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়ে এবার হাসপাতালে বরিস জনসন.

ব্রিটেনের সাম্প্রতিক করোনার ইতিহাস বলছে,ক্রমশই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। মার্চের শেষের দিকে করোনা পজিটিভ মেলে বরিসের শরীরে। চিকিৎসকরা তার হোম কোয়ারান্টাইনের ব্য়বস্থা করেন। বিগত ১০ দিন ধরে করোনার সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। লন্ডনের থমাস হাসাপাতালে ভর্তির পর থেকেই শারীরিক  অবস্থা স্থিতিশীল  ছিল না বরিসের। সোমবারই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিবৃতি দেয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। হাসপাতালের মেডিক্য়াল বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি  ক্রমশই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। 

আয়ুর্বেদিক ওষুধেই জব্দ করোনা, বেঙ্গালুরুর ডাক্তারের হাতে সুস্থ হলেন প্রিন্স চার্লস

অবস্থা খারাপ দেখে প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। বিগত কিছুদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রীর অবর্তমানে তাঁর কাজ দেখছেন বিদেশমন্ত্রী ডিমিনিক রাব। দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থায় পাশে দাঁড়িয়েছে বিরোধী দল থেকে ব্রিটেনবাসী সকলেই। সোশ্য়াল মিডিয়ায় বরিসের দ্রুত আরোগ্য় কামনা করছে ব্রিটেনবাসী। রবিবার হাসপাতালে ভর্তি  হওয়ার আগেও একবার টুইট করেন বরিস। যেখানে  তিনি বলেন, ভেঙে পরবার কিছুই নেই। আমাদের এই মারণ ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে জিততেই হবে।