প্যাংগং থেকে সেনা সরানোর কাজ শুরু হয়েছে  জানিয়েছে চিনের বিদেশ মন্ত্রক  এখনও বিষয়ে মুখ খোলেনি ভারত  আগেই জানিয়েছিল তৈরি হচ্ছে সেনা প্রত্যাহারের খসড়া   


চিন ও ভারত দুটি দেশই পূর্ব লাদাখ সেক্টরের প্যাংগং লেকের উত্তর ও দক্ষিণ তীর থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে। বুধবার এমনটাই দাবি করেছে চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। কর্নেল উ কিয়ানের মন্ত্যের পরিপ্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি নয়া দিল্লি। তবে একটি সূত্র জানাচ্ছে চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মন্তব্য অস্বীকার করা হচ্ছে না। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র সিনিয়র কর্নেল উ কিয়ান একটি লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে প্যাংগং তসো হ্রদের দক্ষিণ ও উত্তর তীরে চিনা ও ভারতীয় বাহিনী মুখোমুখি অবস্থান করছিল। কিন্তু এখন দুটি দেশই এই স্থান থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। গতমাসে মোল্ডো ও চুসুল সীমান্তে দুই দেশের সামরিক কমান্ডার পর্যায়ের আলোচনা হয়েছিল। তারপরই দুটি দেশ সেনা প্রত্যাহারের বিষয় ঐক্যমত পোষণ করেছে। দুটি দেশের নির্দেশিত পথেই সেনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

যদিও সেই সময় ভারত জানিয়েছেন নবম পর্যায়ের আলোচনা যথেষ্ট ইতিবাচক হয়েছিল। আলোচনাটিকে গঠনমূলক ও ব্যবহারিক বলেও দাবি করা হয়েছিষ সেই সময় ভারত জানিয়েছিল খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে। প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে চলেছিল নবম পর্যায়ের বৈঠক। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন প্রায় ৯ মাস পর সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পথে। 

গত বছর নভেম্বর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন ডিসএনগেজমেন্টের জন্য তিন পর্বের পরিকল্পনা প্রস্তুক করা হলেও তা বাস্তবায়নের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও চুক্তি করা হয়নি। এই পরিকল্পার মধ্যে উভয় পক্ষই এলআরসি থেকে কাছাকাছি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া কর্মীবাহক গাড়ি সরাতে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 

ভারতের মহাকাশচারীদের মহাকাশের মেনু কার্ড, রয়েছে খিচুড়ি থেকে বিরিয়ানি এমনকি আচারও ..

'আপনি বাংলায় তৃণমূলের থেকে বেশি প্রচার পাবেন', লোকসভায় কেন অধীর চৌধুরীকে একথা বললেন নরেন্দ্র মোদী ..

সেইমত এদিন চিন প্যাংগং-এর দক্ষিণ তীরের উচ্চতর এলাকা থেকে সাঁজোয়া গাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। সরিয়ে নিট্ছে ট্যাঙ্ক ও পদাতিক যোদ্ধা যানগুলি। তবে সেনারা এখনও পর্যন্ত কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। তবে সেনারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় লাইন বন্ধ করতে শুরু করেছে। তবে ভারত কী অবস্থান নিচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট করে জানান হয়নি।