গত সপ্তাহেই নিউজিল্যান্ডকে করোনামুক্ত ঘোষণা করেছিল সেদেশর স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সব ধরণের বিধি নিষেধ তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন। মাত্র তিন মাসের লকডাউনে কীভাবে আর্ডেন দেশকে মারণ ভাইরাসের হাত থএকে মুক্ত করলেন তা নিয়ে চর্চা চলছিল গোটা বিশ্বেই। তবে নিউজিল্যান্ডবাসী স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ৭ দিনের মধ্যেই ফের করোনা শনাক্ত হল দেশটিতে। ইতিমধ্যে ২ জনের দেহে কোভিড ১৯ ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

নিউজিল্যান্ড সরকারে পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, আক্রান্ত ২ জনই সম্প্রতি ব্রিটেন থেকে সেদেশে ফেরেন। এরফলে টানা ২৪ দিন পর দেশটিতে ফের করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গেল। গত ৮ জুন সকালে নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সেদেশের শেষ কোভিড ১৯ পজিটিভ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। তাই সেই দেশে নতুন কোনও করোনা রোগী নেই। এর পরেই নিউজিল্যান্ড নিজেকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করে। 

করোনার বিরুদ্ধে এবার জিতে গেল ফ্রান্সও, বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর

জ্বর নিয়ে এবার হাসপাতালে ভর্তি দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দেশে মৃতের সংখ্যা ছুঁতে চলল ১০ হাজার

লাফিয়ে লাফিয় ফের বাড়ছে সংক্রমণ, লকডাউনের পর এবার গণহারে করোনার পরীক্ষা শুরু বেজিংয়ে

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসার পর গত সপ্তাহেই নিউজিল্যান্ড থেকে সব ধরণের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। শুধুমাত্র সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপিত ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন সতর্ক করে বলেছিলেন, বিদেশ থেকে মানুষ ফিরলে ফের আগামী দিনে নিউজিল্যান্ডে নতুন করে করোনা শনাক্ত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর সেই আশঙ্কাই সত্যি হল এবার।

জানা যাচ্ছে আক্রান্তরা ২ জনেই মহিলা। মৃত বাবা-মাকে দেখতে তাঁরা লন্ডন থেকে নিউজিল্যান্ডে আসেন। এদিকে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে ২ জনে বিশেষ অনুমতি নিয়ে অকল্যান্ড থেকে ওয়েলিংটন গাড়িতে যাত্রা করেন। ইতিমধ্যে ওই ২ মহিলার সংস্কর্শে আসা বিমানকর্মী, ব্রিসবন এয়ারপোর্টের কর্মীদের কোয়ারেন্টানে পাছান হয়েছে। যে হোটেলে তাঁরা উঠেছিলেন সেখান কর্মী এবং ২ মহিলার আত্মীয়রাও কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডে প্রথম করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। তারপর তিন মাস সবচেয়ে কঠোর লকডাউন কার্যকরী করেছিল কিউইরা। দেশটিতে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,৫০৬ জন। মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ২২ জনের।