Shehbaz Sharif Seeks Talks With India: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ভারতের সাথে শান্তি আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কাশ্মীর সহ সকল বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, কিন্তু ভারত POK এবং সন্ত্রাসবাদের বিষয়েই আলোচনা করতে রাজি।

Shehbaz Sharif Seeks Talks With India: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সোমবার ইরানে ভারতের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, তিনি ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চান। কাশ্মীর, সন্ত্রাসবাদ, জল বণ্টন এবং বাণিজ্যের মতো সকল বিষয়ে সমাধান করতে চান। শাহবাজ শরিফ এই কথা বলেছেন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘর্ষের কিছুদিন পর। ২২ এপ্রিল পাকিস্তান সমর্থিত সন্ত্রাসবাদীরা জম্মু-কাশ্মীরের প্যাহেলগামে হামলা চালিয়েছিল। এর ফলে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। প্রতিশোধ নিতে ভারত অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল। এরপর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘর্ষ হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শরিফ বলেছেন, "কাশ্মীর এবং জল সহ আমরা সকল বিবাদ মিটমাট করতে চাই। আমরা আমাদের প্রতিবেশীর সঙ্গে বাণিজ্য এবং সন্ত্রাসবাদের বিষয়েও কথা বলতে প্রস্তুত।" উল্লেখ্য্য, এই মাসের শুরুতে ভারতের সুনির্দিষ্ট সামরিক হামলার পর পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে আলোচনার ইচ্ছা পুনরায় প্রকাশ করেছে। যদিও ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যে কোনও আলোচনা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের প্রত্যাবর্তন এবং সন্ত্রাসবাদের বিষয়েই হবে।

কেবল POK ফেরত পেলেই আলোচনা

ইন্ডিয়া টুডে টিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, "কাশ্মীর নিয়ে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। এখন কেবল POK (পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর)-এর প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি বাকি। এর বাইরে আলোচনার কিছু নেই। যদি তারা সন্ত্রাসবাদীদের হস্তান্তরের বিষয়ে কথা বলতে চায়, তাহলে বলতে পারে। অন্য কোনও বিষয়ে আমাদের আলোচনার কোনও ইচ্ছা নেই।"

পাকিস্তান সারা বিশ্বে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভারতের সঙ্গে কথা বলার জন্য। অন্যদিকে, ভারত স্পষ্ট করে বলেছে, আলোচনা কেবল দ্বিপাক্ষিক হবে। কোনও তৃতীয় দেশের অংশগ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।

শাহবাজ শরিফ বলেন- আন্তরিকভাবে শান্তি চাই

ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি ভারত যুদ্ধের পথ বেছে নেয়, তাহলে পাকিস্তান জবাব দেবে। তিনি বলেছেন, "কিন্তু যদি তারা আক্রমণাত্মক থাকার পথ বেছে নেয়, তাহলে আমরা আমাদের অঞ্চল রক্ষা করব, যেমনটা আমরা কিছুদিন আগে করেছি। যদি তারা আমার শান্তির প্রস্তাব গ্রহণ করে, তাহলে আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে দেখাব যে আমরা সত্যিই শান্তি চাই।"